জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের আয়কর নথি কয়েক দফায় নিরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সুযোগ বুঝে প্রতারণায় নেমেছে একটি চক্র। ফোন করে বলা হচ্ছে, ‘আপনার আয়কর রিটার্ন এনবিআরের অডিটের আওতায় পড়েছে।’ তারপর ‘ভয়ভীতি’ দেখিয়ে অবৈধভাবে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মিলছে। খবর বিডিনিউজের।
এমন ঘটনা আপনার সঙ্গে ঘটলে কী করবেন? এনবিআর বলছে, তাদের কোনো কর্মকর্তা এভাবে ফোন করে যোগাযোগ করেন না। কারো আয়কর নথি অডিটের আওতায় পড়লে লিখিত নোটিস দিয়ে করদাতাকে জানানো হয়। এমন কোনো ফোন এলে তাদের ‘ফাঁদে’ পা না দিয়ে দ্রুত নিকটস্থ থানাকে অবহিত করার পরামর্শ দিয়েছে কর আদায়কারী সংস্থাটি।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিয়ে করদাতার করণীয় তুলে ধরেছে এনবিআর; একই সঙ্গে নিজেদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কর সংক্রান্ত যে কোনো বকেয়া কর বা ফি শুধুমাত্র সরকারি চালানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হয়। কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি করদাতার কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে, বিকাশ, রকেট, নগদ বা অন্য কোনো মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণের এখতিয়ার রাখেন না।
কোনো সন্দেহজনক ফোন কল, এসএমএস বা ইমেইল পেলে বিভ্রান্ত না হয়ে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের উপ কর কমিশনারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে সত্যতা যাচাই করতে পারেন করদাতা।
সেখানে তথ্য যাচাই করে প্রতারণার প্রমাণ মিললে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে এনবিআর।












