মৃত্যুর ত্রিশ বছর পর চিত্রনায়ক সালমান শাহের খুনের রহস্য উদঘাটনে তার দেহাবশেষ কবর থেকে উত্তোলনের দেওয়া আদেশ নথিভূক্ত করেছে আদালত। বাদীপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা আদেশ দেন। মামলার বাদী সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম দেহাবশেষ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেছিলেন। খবর বিডিনিউজের।
শুনানি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবিদ হাসান ও সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম সাংবাদিকদের বলেন, আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। তবে পরে প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই শাহ আলম বলেন, আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করেছেন। আলমগীর কুমকুমের আবেদনে বলা হয়, মামলাটি ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে চলমান আছে। প্রাকৃতিক কারণে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃতদেহ (লাশ) এর দেহাবশেষ পাওয়ার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ।
১৯৯৭ সালের ১৩ জানুয়ারি ভিকটিমের মৃতদেহ আদালতের নির্দেশে উত্তোলন করা হলে তা মাত্রাতিরিক্ত পচনশীল অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল মর্মে উল্লেখ করা হয়। সালমান শাহের মৃতদেহ (লাশ) হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়েছিল এবং বর্তমানে সেখানেই কবরস্থ আছে। এজন্য ভিকটিমের লাশ বারবার উত্তোলনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানবে এবং ব্যাপক বাধার সৃষ্টি হতে পারে। বারবার লাশ উত্তোলনে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানবে এবং ব্যাপক বাধার সৃষ্টি সহ সংঘর্ষ হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা রয়েছে।











