ঢাকা থেকে বিমানযোগে চট্টগ্রামে ফিরে বহদ্দারহাট ফরিদারপাড়ায় নিজের বাসায় ফিরছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান। পথে খুলশী থানা পুলিশের একটি টিম তাকে টেঙি থেকে নামিয়ে মারধর করে থানায় নিয়ে যায়। সেখানেও তাকে হেনস্তা করা হয়। সামগ্রিক বিষয়ে গতকাল নিজের বাসায় সংবাদ সম্মেলন করেন ক্রিকেটার নাঈম হাসান। তিনি বলেন, যখন সিএনজি অটোরিকশায় তুলে ফেলে, তখন খুব ভয় পেয়েছিলাম। তখন সেখানে জড়ো হওয়া ১০০ থেকে ১২০ জনের মতো সমর্থক ভাইয়েরা (লোকজন) না থাকলে ঘটনাটি অন্য রকম হতো। বিশেষ করে তাদের ধন্যবাদ দিতে চাই। পুলিশ যখন আমাকে খুলশী থানায় নিয়ে যায়, তখন তাদের অনুরোধ করি। ভাইয়ারা রাতে লালখান বাজার থেকে খুলশী থানায়ও আসেন আমার সঙ্গে। অন্য কিছু ট্রাই করতে পারেনি (পুলিশ)।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে নাঈম হাসান বলেন, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, তার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছি। অন্তত ১০ জন মানুষের উপকার হবে। আমি সাদাসিধে জীবনযাপন করি। ঘটনার দিন পুলিশ সিএনজিতে আমার জিনিসপত্র তল্লাশি করেনি। তারা চাইলে করতে দিতাম। সিএনজিতে যখন তোলা হয়, আমি জানতাম না আমার গলা চেপে ধরবে। তখন আমি ভয় পেয়ে গেছি। পরে থানায় আমার সঙ্গে থাকা পিন পর্যন্ত তাদের দেখিয়েছি। ওসির রুমে নেওয়ার পর ঘটনার বর্ণনায় নাইম বলেন, পরিচয় দেওয়ার পর ওসি আমাকে বলেন-‘চোখ নামিয়ে কথা বল’। তিনি বলেন, বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ভাই ফোন দেওয়ায় কাজ হয়েছে। তিনি যখন ওসি সাহেবের সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখন আমি কথা বলতে চাইলে ওসি আমাকে আঙুল দেখিয়ে চুপ থাকতে বলেন।
একটু একা থাকতে চান উল্লেখ করে নাঈম হাসান বলেন, আমি মানসিকভাবে এক বিপর্যস্ত অবস্থায় আছি।












