ঈদ ছুটিতে পরিবার পরিকল্পনার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নরমাল ডেলিভারি ১২৬টি

মোট সেবা পেয়েছেন ৩১৪০ জন

| শুক্রবার , ৫ জুন, ২০২৬ at ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ

পবিত্র ঈদ–উল আজহার ছুটিতে পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোতে নরমাল ডেলিভারি, এএনসি, পিএনসি সেবাসহ গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদেরকে পরিবার পরিকল্পনা সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা চালু রাখা হয়েছিল। এ সময় কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বরত চিকিৎসক, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক, পরিবার কল্যাণ সহকারী ও কর্মচারীগণ মহানগর, থানা ও উপজেলা পর্যায়ের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রসমূহে ১২৬টি নরমাল ডেলিভারিসহ মোট ৩ হাজার ১৪০ জনকে পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদান করা হয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপ–পরিচালক বেগম শাহনেওয়াজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে ১২৬টি নরমাল ডেলিভারির পর ৪৫ জনকে প্রসব পরবর্তী সেবা প্রদান করা হয়। এএনসি সেবা পেয়েছে ৬২৯ জন ও পিএনসি সেবা পেয়েছে ৩৭০ জন। এছাড়া কেন্দ্রগুলোতে ০–৫ বছর বয়সী ৩৮১ জন শিশুকে সেবা প্রদানের পাশাপাশি ৩১৫ জন কিশোর–কিশোরীকে বয়ঃসন্ধিকালীন সেবা ও পুষ্টি সেবা প্রদান করা হয়েছে। পুরুষ ও সাধারণ মহিলা রোগীসহ মোট ৯১৫ জনকে সেবা প্রদানের পাশাপাশি ৪০৪ জন দম্পতিকে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি সেবা দেয়া হয়েছে।

পরিবার পরিকল্পনা জেলা কার্যালয়ের উপ–পরিচালক বেগম শাহান ওয়াজ জানান, কৈশোর–বান্ধব স্বাস্থসেবা নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিবাহ রোধ, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদেরকে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ফলে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। পবিত্র ঈদ–উল আযহার সরকারি বন্ধে পরিবার পরিকল্পনা সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা চালু ছিল। শিশুর বাসযোগ্য দেশ বিনির্মাণে কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি সুস্থ মা ও সন্তান অত্যন্ত জরুরি। কৈশোর–বান্ধব স্বাস্থ্যসেবার এ অগ্রযাত্রায় সবাইকে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (সিসি) ডা. শামীমা হাসনাত জানান, প্রতিটি সেবা কেন্দ্রে হামের প্রাদুর্ভাব ও প্রতিকার বিষয়ে মা ও জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধওয়ান টাইম প্লাস্টিকের ব্যবহার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে হবে
পরবর্তী নিবন্ধওয়ামির প্রতিনিধি দলের আইআইইউসি সফর