আত্মত্যাগ ও সামাজিক ভ্রাতৃত্বের শিক্ষার নাম ঈদুল আজহা। বছর ঘুরে ফিরে এলো পবিত্র ঈদুল আজহা। আর এই ঈদ হলো মহান আল্লাহ তা’লার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত মুসলমানদের একটি অন্যতম ধর্মীয় উৎসব। বলা যায় ধমী‘য় ইবাদতও। হযরত ইব্রাহিম (আ🙂 এর চরম আনুগত্য ও প্রিয় বস্তু ত্যাগের স্মৃতিবাহী এই কোরবানির ঈদটি সৃষ্টি কর্তা‘র প্রতি আত্মসমর্পণ, আত্মশুদ্ধি এবং সামাজিক ভ্রাতৃত্বের অনন্য শিক্ষা প্রদান করে। তোরা ভোগের পাত্র ফেলরে ছুঁড়ে ত্যাগের তরে হৃদয় বাঁধ’ কাজী নজরুল ইসলামের এই মহান বাণীই আমাদের ঈদুল আজহার শিক্ষাকে স্পষ্ট করে দেয়। বলা যায় আত্মত্যাগে উজ্জীবিত হওয়া, মানবিক কল্যাণ সাধন করা, সামাজিক সুশৃঙ্খলকে রক্ষা করা সেই সাথে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে মজবুত করে রাখতে পারলে সমষ্টিগত আনন্দের উৎসব ঈদুল আজহা উদ্যাপন সফল ও সার্থক হবে।












