কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত কমিটি এবং জেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবারের ঈদুল আজহার প্রধান ঈদ জামাত চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে সকাল ৮ টায় অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল শনিবার কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কমিটির প্রস্তুতি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান।
সভায় কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল সালেহ আহমেদ সুলেমান স্বাগত বক্তব্য ও বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করে বলেন, মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় দুইটি পর্ব, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা ছাড়াও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণ, অসহায় দুস্থ মহিলাদের স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণসহ নানামুখী সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। আসন্ন ঈদুল আজহা নামাজ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
এছাড়াও জেলা প্রশাসনের নিজস্ব তহবিল হতে ঈদুল ফিতর নামাজের প্যান্ডেল, ত্রিপল ও ফ্যানসহ সুষ্ঠু সুন্দর ব্যবস্থাপনায় মুসল্লীরা নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্তে কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক এবং জেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ বারের প্রধান ঈদ জামাত সকাল ৮টায় করার এবং জামাতে ইমামতির দায়িত্ব পূর্বের ন্যয় বায়তুশ শরফ আদর্শ সিনিয়র কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ ড. সাইয়েদ আবু নোমান পালন করবেন বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিকল্প ইমাম হিসেবে মুফতী মুহাম্মদ নুরুন্নবীকে রাখার সর্বসম্মত সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়। কমিটির আওতাভুক্ত নগরীর অপর ৯৪টি আঞ্চলিক ঈদগাঁসমূহের ঈদুল আজহা নামাজের সময়সূচি এবং ইমাম পূর্বের ন্যায় স্থানীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় গত ঈদুল ফিতর ২০২৬ এর আয়–ব্যয় হিসাব পেশ করেন কমিটির ট্রেজারার। হিসাব সকলের সম্মতিক্রমে সভাপতি অনুমোদন করেন।
সভার সভাপতি বলেন, প্রতিবারের ন্যায় এবারও জেলা প্রশাসন এবং ঈদ জামাত কমিটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ঈদুল আজহার নামাজ যুগোপযোগী আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে করা হবে। যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে আসন্ন ঈদুল আজহা নামাজ আদায়ের লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। ঈদ জামাত কমিটির আরো অন্যান্য উপস্থাপিত দাবির বিষয়ে তিনি যথাসম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, কমিটির সহ–সভাপতি অ্যাড. মাহবুব উদ্দিন আহম্মেদ, শাহজাদা মো. এনায়েত উল্লাহ খান, অধ্যক্ষ ড. সাইয়েদ আবু নোমান, মোরশেদুল আলম কাদেরী, সালেহ আহমেদ সুলেমান। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অ্যাড. জিয়া হাবিব আহসান, অ্যাড. মো. ছমি উদ্দিন, আবু মো. নুরুল ইসলাম, ইরফান আলী ভূঁইয়া, এরশাদ আলী ভূঁইয়া, মো. আশরাফুজ্জামান আশরাফ, ডা. মো. আকতার হোসেন ভুট্টো, টি. এম মাহবুব, এস এম জামাল উদ্দিন, সাজ্জাদ হোসেন, মুফতী মুহাম্মদ নুরুন্নবী, ব্যারিস্টার মো. রিয়াজ সালেহ, ডা. সারওয়ার আলম, খুরশিদুল আলম ফিরোজ, প্রিন্সিপ্যাল মো. নুরুল ইসলাম, ডা. মো. সাইফুদ্দিন, সাইদুল আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার জয়নাল আবেদীন, মো. ইকবাল হায়দার, ডা. মো. এনামুল হক এনাম, এস এম রবিউল হোসাইন, মোহাম্মেল হক, মো. নাজিম উদ্দিন, ডা. মো. এসকান্দর, মৌ. হাবিবুল্লাহ, হাফেজ আব্দুর রশিদ, এইচ এম ফজলুল কাদের, ডা. কাজী মো. সলিমুল্লাহ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











