‘সুন্দর ও সুগতির সন্ধান, করবে ঐকতান’ এই স্লোগানকে বুকে ধারণ করে বন্দর দক্ষিণ মধ্যম হালিশহরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম রবীন্দ্র জয়ন্তী। ঐকতান পরিবারের উদ্যোগে উদয়ন সংঘ প্রাঙ্গণে ৯ম বারের মতো দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
দিনব্যাপী কর্মসূচির প্রথম পর্বে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল বিশ্বকবির কালজয়ী সৃষ্টি কর্ম। খুদে শিল্পীদের রং–তুলির আঁচড়ে কবিগুরুর সাহিত্য ও প্রকৃতির নান্দনিক রূপ ফুটে ওঠে। এরপর সন্ধ্যা ৬ টায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে উৎসবের দ্বিতীয় পর্ব বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক ও আলোচনা সভা শুরু হয়। আলোচনা করেন আবুল বশর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল বশর হোসাইনী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা হিরালাল বণিক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ মোরশেদ আলম, আশীষ কান্তি মুহরী, সুমন কান্তি দে, অরুনজয় দত্ত শুভ, সৌরভ দে, নয়ন দে প্রমুখ। বক্তারা বলেন, রবীন্দ্র সাহিত্য বাঙালির আত্মপরিচয় ও মননশীলতার মূল ভিত্তি।
সভা শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। রবীন্দ্রসংগীতের সুরের মূর্ছনায় দর্শক–শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন সঙ্গীত শিল্পী প্রমিত বড়ুয়া, জয়শ্রী ধর, পুস্পিতা দে, বৃষ্টি দাশ, তুষার দাশ, অমিত এবং সেজুতি। তানিশা দে ও তার দলের মনমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনা পুরো অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। কবিগুরুর কালজয়ী কবিতা নিয়ে আবৃত্তি পরিবেশন করেন পার্থ প্রতিম মহাজন, লিটন সরকার, শশী দে, সুজয় দে এবং দীপা দে। অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে ঐকতান পরিবারের শিশু আবৃত্তি দলের বিশেষ দলীয় প্রযোজনা। এছাড়া সুজন দে’র বাঁশির ব্যতিক্রমী পরিবেশনা ‘সিন্ধু–বারোয়াঁয় লাগে তান’ দর্শকদের সুরের মায়াজালে আবিষ্ট করে রাখে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল রবীন্দ্র ছোটগল্প অবলম্বনে নির্মিত নাটক। ঐকতান নাট্যদলের অনবদ্য অভিনয়ে মঞ্চস্থ হয় কালজয়ী নাটক ‘হৈমন্তী’। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











