চকোলেট-টফি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বললেন, আর কেউ বাকি আছে?

| বুধবার , ২০ মে, ২০২৬ at ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ

তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে ‘শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের’ শিশুদের সঙ্গে অন্যরকম সময় কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ১০টায় ভূমিসেবা মেলা২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষ করে প্রধানমন্ত্রী মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধায়নের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে যান। সেখানে ছোট শিশুদের সঙ্গে হাত মেলান তারেক রহমান; তাদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সেখানে কেকও কাটেন। শিশুরা নিজেদের আঁকা ছবি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। খবর বিডিনিউজের।

প্রধানমন্ত্রীর সাথে থাকা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পেয়ে শিশুরা এত খুশি হয়েছিল যে, তারা চারপাশে ঘিরে সেই খুশির আনন্দ প্রকাশ করছিল। প্রধানমন্ত্রীও শিশুদের কাছে পেয়ে অন্যরকম কিছুটা সময় কাটিয়েছেন। তাদের সাথে নিয়ে কেক কেটেছেন। শিশুদের বিভিন্ন রকমের চকোলেট, টফি, ললিপপ নিজ হাতে দিয়েছেন, দিয়েছেন উপহার। চকোলেটটফি দিতে দিকে প্রধানমন্ত্রী বলছিলেন, আর কেউ কি বাকি আছে? ‘শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে’ আগে থেকেই একটি কেক রাখা ছিল। কেক দেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে কার জন্ম দিন বলো তো? একেক জনকে বলতে শোনা যায়, আংকেল আমার, আংকেল আমার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন। আসো আমরা এক সাথে কেক কাটি। এরপর শিশুদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন প্রধানমন্ত্রী। জাহিদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন শিশুদের নিয়ে কেক কাটছিলেন, শিশুরা আনন্দে বলছিল হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি হ্যাপি বার্থ ডে। শিশুদের কীভাবে যত্ন নেওয়া হয় তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন ‘শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের’ কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্না। সে সময় শিশুদের কী কী খাবার দেওয়া হয় তা জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। ছোট্ট শিশু আরিবা বলে, প্রধানমন্ত্রী আংকেলকে দেখে আমি যে কী খুশি বলতে পারছি না। আংকেলের সঙ্গে মজা করে কেক খেয়েছি। আংকেলও কেক খেয়েছেন। কি মজা কি মজা। আংকেল খুব ভালো, খুব সুইট। মন্ত্রী জাহিদ হোসেন জানান, মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় এইসব শিশু দিবাযন্ত্র কেন্দ্র পরিচালনা করে। ঢাকাসহ সারা দেশে এই ডে কেয়ার সেন্টার রয়েছে ২০টি। তিনি বলেন, ৪ বছর থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুরা এই কেন্দ্রে সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে। এই কেন্দ্রে শিশুরা সংখ্যা ৬০ জন। আজকে উপস্থিত ছিল ৫৫ জন।

শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১৫ মিনিটের কিছু বেশি সময় ছিলেন। এরপর তিনি শিশুদের কাছ থেকে বিদায় নেন। এই কেন্দ্র পরিদর্শনের সময়ে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনও উপস্থিত ছিলেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনাগরিকবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী
পরবর্তী নিবন্ধযত্রতত্র মাইজভাণ্ডারী সা’মা মাহফিলের আয়োজন পরিহার করতে হবে