শাহসুফি আমানত (রাহ.) এর বার্ষিক ইছালে ছওয়াব এবং আমানত শাহ দরগাহ লেনস্থ তনজিমুল মোছলেমীন এতিমখানাসহ বহু সংখ্যক এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা হাকীম মাওলানা মোবারক আলী হেজাযী (রাহ.) এর ১০ম ওফাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল গতকাল সোমবার বাদ মাগরিব আমানত শাহ মাজার সংলগ্ন তনজিমুল মোছলেমীন এতিমখানা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা এবং এতিমখানার সভাপতি প্রফেসর ড. আ ফ ম খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও তনজিমুল মোছলেমিন এতিমখানার তত্ত্বাবধায়ক এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজকল্যাণ ফেডারেশনের মহাসচিব হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্লাহর সঞ্চালনায় মাহফিলে অতিথি ছিলেন সিএমপির সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সাবেক লায়ন গভর্নর রফিক আহমদ, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওয়াহিদুল আলম, মা ও শিশু হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, নুরুল কবির চৌধুরী, অধ্যাপক শাব্বির আহমদ, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার নুরুস সামাদ। স্বাগত বক্তব্য দেন, এতিমখানার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হাকীম মাওলানা জামাল উদ্দিন হেজাযী। বক্তব্য দেন, মাওলানা শিহাবুদ্দিন, অধ্যাপক নইম কাদের, মাসিক দ্বীন দুনিয়ার সম্পাদক মুহাম্মদ জাফর উল্লাহ, মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, বারো আউলিয়ার পুণ্যভূমি চট্টগ্রামে যুগে যুগে যেসব পীর আউলিয়াদের মাধ্যমে ইসলামের প্রচার ও প্রভাব ঘটে এবং এ অঞ্চলে আলোকময় সুন্দর ও সুশীল জীবনধারা গড়ে ওঠে তাঁদের মধ্যে হযরত শাহ আমানত (রাহ) ছিলেন অন্যতম। তাঁর স্বভাবজাত মৌনতা, সরলতা, বিশ্বস্ততা এবং জ্যোতির্ময় চেহারায় আকৃষ্ট হয়ে দূর দূরান্ত থেকে দলে দলে মানুষ তাঁর কাছে এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। সাংসারিক মোহে তিনি কখনো আচ্ছন্ন হননি। তিনি সবসময় কষ্টার্জিত উপার্জন দিয়ে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করতেন। অন্যদিকে হাকীম মাওলানা মোবারক আলী হেজাযী (রাহ.) ছিলেন এতিমদরদী আপাদমস্তক একজন মানবতাবাদী সমাজহিতৈষী মনীষা। তনজিমুল মোছলেমীন এতিমখানাসহ অনেক এতিমখানা প্রতিষ্ঠাতা করে তিনি হাজার হাজার এতিম ও নি:স্ব ছেলেকে শিক্ষিত ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ করে দিয়েছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











