নবম বছরে পদার্পণ করল ব্র্যাক ব্যাংকের উইম্যান ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ‘তারা’। দেশের ৫ লাখ নারী এখন এই অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যাংকিং সেবা নিচ্ছেন। কেবল একটি ব্যাংকিং সেবা হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও গত নয় বছরে ‘তারা’ হয়ে উঠেছে একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম। বর্তমানে দেশের ব্যাংক খাতে নারীদের রিটেইল ডিপোজিট পোর্টফোলিওর প্রায় ২৫ শতাংশই আছে ব্র্যাক ব্যাংকের ‘তারা’ সেগমেন্টে।
গত ৯ বছরে তারা’র গ্রাহকসংখ্যা বেড়েছে ৮০ গুণ এবং ডিপোজিটের পরিমাণ বেড়েছে ৬০ গুণেরও বেশি। বিশেষ করে হোমমেকার্স অ্যাকাউন্ট গৃহিণীদের জন্য আয়ের প্রমাণের বাধা দূর করেছে এবং এখানকার ৯৮ শতাংশ গ্রাহককেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে (ইকেওয়াইসি) অনবোর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি ভার্চুয়াল সেভিংস অ্যাকাউন্ট ও ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে আধুনিক ব্যাংকিং পৌঁছে গেছে ঘরে ঘরে। ব্যাংকিং সেবার বাইরেও মা দিবস, স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস এবং আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মতো দিনগুলোতে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা ও ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে নারীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষায় কাজ করছে ব্র্যাক ব্যাংক ‘তারা’। এছাড়াও ‘তারা’ অ্যাম্বাসেডর ট্রেনিং প্রোগ্রামের আওতায় ১২০ জন ফ্রন্টলাইন সহকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নারী গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে পারেন।
তারা এসএমই : নারী উদ্যোক্তাদের শক্তির উৎস
১ লাখ ২৮ হাজারেরও বেশি নারী উদ্যোক্তাকে সেবা দিচ্ছে ‘তারা এসএমই’। এখানে ঋণের পরিমাণ ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা এবং ডিপোজিটের পরিমাণ ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে, যেখানে ডিপোজিটে শুধু গত এক বছরেই ৭২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে খেলাপি ঋণের (এনপিএল) হার মাত্র ১.১৪ শতাংশ, যা প্রমাণ করে যে, নারীদের অর্থায়ন করা ব্যাংকের জন্য অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকর। এমনকি ২ হাজার নারী উদ্যোক্তাকে বিনামূল্যে এক বছরের জন্য ইআরপি সফটওয়্যার দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা তাদের ব্যবসা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনা করতে পারেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।














