সূর্য-পুত্র বুনিয়াদ ও বিন্যাস

করিম রেজা | শুক্রবার , ৩ এপ্রিল, ২০২৬ at ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ

দক্ষিণ চট্টগ্রামকে বলা চলে মধ্যযুগের পুথি সাহিত্যের আঁতুড়ঘর। এখানে সন্ধ্যা হলে বয়োজ্যেষ্ঠদের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ছিল পুথিপাঠ। গত শতকের আশিনব্বইয়ের দশকে আমি নিজে পুথিপাঠের অনেক বৈঠক দেখেছি। আমাদের বাড়ির কাছে শাহসুফির বটতলায় বিশেষত শীত মৌসুমে নিয়মিত পুথিপাঠের বৈঠক বসতো। এসব পুথির প্রধান বিষয় ছিল হাসানহোসেনের উপাখ্যান, কারবালার উপাখ্যান। আমরা এই বৈঠকের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় শুনতাম সুরেলা পুথিপাঠ। পুথিপাঠের একটি নিজস্ব ঢং আছে, সুর আছে। ছন্দ প্রধানত পয়ার।

একটি কাব্যগ্রন্থের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে কেন পুথিসাহিত্যের প্রসঙ্গ আনলাম তা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হবে। শামসুল আরেফীন অন্তত গত তিনদশক যাবত পুথিসংগ্রহের কাজে নিমগ্ন আছেন। তাঁর একটি বিশেষত্ব হলো, তিনি মধ্যযুগের পুথিসাহিত্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি আন্তরিকতার সাথে এই সাহিত্যকে আত্মস্থও করেছেন। অনেক গবেষক আছেন, যারা শুধুমাত্র গবেষণা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন উৎস থেকে উপাদান সংগ্রহ করে এবং তথ্যসূত্র (রেফারেন্স বুক) পড়ে খুব সামান্য নিজস্ব মেধা ব্যয় করে কাজ শেষ করেন। এই উগড়ে দেওয়া বিদ্যা দিয়ে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি ছিনিয়ে আনেন বা বাহবা কুড়ান। গবেষকের ব্যক্তিগত সত্তায় সেই বিদ্যার ছিটাফোটাও প্রকাশ পায় না; প্রকাশ পাওয়া আবশ্যকও নয় বটে। শামসুল আরেফীন এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। তাঁর মুখ থেকে আমি অনেক দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর পুথি শ্রবণ করেছি। তিনি পুথির বিভিন্ন বৈঠকে গিয়ে শুধু পুথিপাঠ শুনেছেন, তাই নয়, বরং সেই সম্ভার শুনে শুনে মুখস্থও করে নিয়েছেন। এমন প্রতিভা বিরল।

কবি হিসেবে শামসুল আরেফীনের গড়ে ওঠার পেছনে মধ্যযুগের এই সাহিত্য দারুণভাবে প্রভাব ফেলেছে। তাঁর জন্ম, বেড়ে ওঠা, কর্মজীবনসবকিছুর উৎসভূমি দক্ষিণ চট্টগ্রাম। ‘সূর্যপুত্র’ কাব্যের প্রায় প্রতিটি কবিতায় এর প্রভাব আছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় আমরা মিথের বিপুল শিল্পিত ব্যবহার দেখেছি। সাহিত্যে বস্তুসত্যের সাথে শিল্পসত্যের মিশ্রণ হলে তা সাহিত্য উপাদান হিসেবে অনন্য উচ্চতায় উপনীত হয়। একই সাথে তা কালের সীমারেখাও অতিক্রম করে। ‘সূর্যপুত্র’ কাব্যের অধিকাংশ কবিতাই এমন শিল্পোত্তীর্ণ। দেশজ, পৌরাণিক বা সেমেটিককোনো না কোনো উপাদান লক্ষ্য করা যায় এই কাব্যের প্রায় সব কবিতায়। ছন্দনির্মাণও সুখপাঠ্য।

এখন ‘সূর্যপুত্র’ নামটির প্রসঙ্গে আসি। মহাভারতের উপাখ্যান মোতাবেক কর্ণ হলেন সূর্যপুত্র। তিনি আজীবন তীব্র প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। সেই সূর্যপুত্রকে শামসুল আরেফীন চিরকালের লড়াকু যোদ্ধাদের মধ্যে বিলীন করে দিয়েছেন। আমি আগেই উল্লেখ করেছি, বস্তুসত্যের সাথে শিল্পসত্যের মিশ্রণের প্রসঙ্গ। সেক্ষেত্রে এই নামটিও তার অনন্য দৃষ্টান্ত। এই কাব্যের সূর্যপুত্র হলেন চিরকালের ভাগ্যবিড়ম্বিত জাতিসমূহের সংশপ্তক বীর সেনানিগণ। ফ্রান্সের ফরাসি বিপ্লবে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন, ইরানের শাহ বিরোধী বিপ্লবে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন, কিউবায় বাতিস্তা বিরোধী বিপ্লবে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন, আরব বসন্তে যারা একনায়কদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দিয়েছেন, ফিলিস্তিনে দশকের পর দশক যারা ইসরাইলি দখলদার বাহিনির বিরুদ্ধে লড়াই করছেন এবং অধুনা বাংলাদেশে জুলাই বিপ্লবে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন তারা সবাই এই সূর্যপুত্রের অন্তর্গত। কতিপয় সূর্যপুত্রের নাম উল্লেখ করে শামসুল আরেফীন ইলিয়াড কবিতায় কবি বলছেন

জ্বলে যাচ্ছে সুভাষ বসু, এঙ্গেলস, মাও

মেন্ডেলা, চে, শ্যাভেজ, ফিদেল ক্যাস্ট্রো,

সূর্যসেন, প্রীতিলতা, মুজিব, ভাসানী।

জ্বলে যাচ্ছে, জ্বলে যাচ্ছে, ছাই হচ্ছে সব;

গান্ধিপোকা জ্বালিয়েছে হাবিয়া দোজখ।

সূর্যপুত্র’ কাব্যের কবিতাগুলোতে নিপীড়িত জনতার প্রতি সমবেদনার পাশাপাশি আছে দেশপ্রেম, মানবতাবাদ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, সামন্তবাদের বিরুদ্ধে দ্রোহ, প্রেম, অর্থনৈতিক বৈষম্য প্রভৃতি অনুষঙ্গ। এসব অনুষঙ্গের শরীরে শৈল্পিক পোশাক পরিয়ে দিতে কবি ব্যবহার করেছেন মিথের কারুকাজ। ভারতীয়, সেমেটিক এবং গ্রিক মিথের উল্লেখ করেছেন অজস্র; প্রায় প্রতিটি কবিতায় আছে এসব দৃষ্টান্ত। এছাড়া চট্টগ্রামের স্থানীয় কিংবদন্তী এবং পরিভাষাও তিনি বিভিন্ন কবিতায় ব্যবহার করেছেন। মধ্যযুগের পুথির কথা উল্লেখ করেছি শুরুতেই।

পুরো পৃথিবীজুড়ে দুঃশাসনের উল্লেখ করেছেন কবি কঙ্কাবতী১ কবিতায়। স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বৈশ্বিক প্রবণতাকে কবি বর্ণনা করেছেন এভাবে

গান্ধারীর বখে যাওয়া শত পুত্র আজ

শত অঞ্চলের নায়ক।

তাদের ভয়াল আগুনে পুড়ে যাচ্ছে

কোটি কোটি গোলাপের জগত।

এই কবিতায় গান্ধারী হলো মহাভারতের চরিত্র। অর্থাৎ কবি এই কবিতায় ভারতীয় পুরাণ ব্যবহার করেছেন। এই কবিতারই শেষ স্তবকে বলেছেন

কঙ্কাবতী, এবার পাঞ্চালী হয়ে উঠো,

আমাকে পঞ্চপাণ্ডব করে নিয়ে চলো

কুরুক্ষেত্রের বুকে।

আমাদের দেশীয় রাজনীতিতে বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপের স্বীকারোক্তি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ প্রকাশ্যে স্বীকার করে থাকেন। একে তারা লজ্জার নয় বরং নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তির গৌরবজনক অর্জন বলে মনে করেন। বহিরাগত শক্তিকে লজ্জাস্কর পদলেহনের প্রতিবাদও জুলাই বিপ্লবে তীব্রভাবে উচ্চারিত হয়েছিল। নিজের ক্ষমতা নিশ্চিত করার জন্য এমন রাজনৈতিক অপকৌশল কবির চোখেও ধরা পড়তে ভুল হয়নি। মানিক সদাগর কবিতায় পাঠক তা লক্ষ করবেন

তোমার কাছে জমা আছে বঙ্গসাগরকোরাল

সুন্দরী তা জেনে গেছে রাতের ইতিহাসে;

পঙ্খিরাজের বেগে এলো কী ভয়ানক লোভে!

পদ্মকুলীরশঙ্খ আছে তাহার আশে পাশে।

সুন্দরী আজ সুন্দরী নয়, দুঃশাসনের ছায়া;

সকল কোরাল হরণ করে হবে পগারপার,

শূন্য হয়ে সহজ সরলও সদাগর তুমি

দেখতে পাবে দশদিকেতে সমর অন্ধকার।

২০১৮ সালে প্রকাশিত কাব্যের এই কবিতায় যে ‘পগারপার’ এর ভবিষ্যৎবাণী করা হয়েছিল তা ঠিকই উল্লেখিত কবিতার সকল বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করে ২০২৪ সালে প্রতিফলিত হয়েছে এই দেশের রাজনীতিতে!

জালালি কইতুর কবিতায় অর্থনৈতিক বৈষম্যের পাশাপাশি কবি শাসকগোষ্ঠীকে হুশিয়ার করে বলছেন

বলছি সুরে কেমন করে বাঁচবো তবে হায়,

স্বাধীন দেশের ভূখণ্ডতে আমরা কি গো ছাই?

ফিড়িং আমি বসত করি খানপুকুরের পাড়,

শুনতে পেয়ে দুখে আমার মন হলো ছারখার।

লিখে দিলাম বরুমতির দুইটি পাড়ে তাই

রাজা তোমার রাজা থাকার যোগ্যতা আর নাই।’

মিছিলের স্লোগান নয়, কবিতার পঙক্তিরাজা তোমার রাজা থাকার যোগ্যতা আর নাই। ষাটের দশকের আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত যখনই শাসকগোষ্ঠী জুলুম নিপীড়নকে হাতিয়ার করে এদেশের মানুষের মানবিক অধিকার হরণ করার অপচেষ্টা করেছে তখনই তারা বন্দুকের সামনে বুক প্রসারিত করে বলেছে– ‘রাজা তোমার রাজা থাকার যোগ্যতা আর নাই।’

স্বদেশ চেতনার উল্লেখ আছে চিড়িংঘাটা, শঙ্খচিল, হেলেন প্রভৃতি কবিতায়। চিড়িংঘাটা কবিতায় কবি বলছেন

ছোটকালে শুনেছিল: চিড়িংঘাটার মাটি

সূর্যরাজাস্বর্ণলতার ছোঁয়ায় হলো খাঁটি।

তারা ছিল মলকামনু এবং ছিল বীর,

চিড়িংঘাটার মান বাঁচাতে যুদ্ধে দিল শির।

পাকিস্তানি শাসনকে কবি বাসুকির শাসন উল্লেখ করেছেন হেলেন কবিতায়। মুক্তিযুদ্ধে লাখো মানুষের মৃত্যুকেও উল্লেখ করেছেন এই কবিতায়

কোনকালে বাসুকির শাসনে ছিল এই যে নগর;

তার বিষে মরেছিল লাখো লাখো সূর্যমুখী,

সুন্দরী গাছ।

প্রেমময় আহ্বানের একটি অনন্য কবিতা আমি কখনো তোমাকে শীর্ষক কবিতাটি। কীভাবে একটি মহাকাব্যের জন্ম হবে তা বর্ণনা করে কবি বলছেন

আমি কখনো তোমাকে বলিনি, আমার হও।

আমি বলেছি, বাউলা হাওয়ায় মিশে চলে যাও সীতার পাহাড়

অথবা থানচিলামাআলীকদম পেরিয়ে নাফ নদীর কূল

অথবা চকরিয়ার সবজি উদ্যান পেরিয়ে নারকেল দ্বীপ।

তাহলে দেখতে পাবে পারুল পারুল।

তার শরীর থেকে যদি ছিনিয়ে আনতে পারো সামান্য জ্যোতি,

একটি মহাকাব্যের জন্ম হবে।

কানুবাবার পৌষবিষু দিনে কবিতায়ও প্রেমের আকুতি আছে। কবি যেখানে মনে মনে প্রার্থনা করেছিলেন একটি মেয়েগাছ

মেয়েগাছ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বলেছিল, বাঁচালে আমায়,

বহুকাল বড়ো অনাদরে পড়েছিলাম সবুজ বাগানে।

মিথের বিপুল ব্যবহার ‘সূর্যপুত্র’ কাব্যের বর্ণনাবিন্যাসকে বিশেষত্ব দিয়েছে। প্রাচীন বক্তব্যকে আধুনিক সাহিত্যের গর্ভে বপন করে দিলে কাব্যিক অনুভূতির অনেক জটিলতা সহজেই পাঠকের সামনে অর্থময় হয়ে ওঠে। শামসুল আরেফীন ‘সূর্যপুত্র’ কাব্যে এই কৌশল দক্ষতার সাথে ব্যবহার করেছেন। এখানে প্রায় প্রতিটি কবিতায় মিথের ব্যবহার আছে। সূর্যপুত্র নামটিই মহাভারতের চরিত্র কর্ণের বীরত্ব ও বৈশিষ্ট্য থেকে উজ্জীবিত হয়ে নেওয়া। ভারতীয় পুরাণের অজস্র চরিত্র এসেছে এখানে। উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলোঅষ্টনাগের মহাপদ্মসহ অন্যান্য চরিত্র, কৃষ্ণ, ভীষ্ম, গান্ধারী, পঞ্চপাণ্ডব, দ্রৌপদী, শকুনিমামা, বাসুকি, মহাশ্বেতা, অহল্যা প্রভৃতি।

চর্যাপদের লুই এবং ভুসুকুর উল্লেখও চোখে পড়ে। এছাড়া মধ্যযুগের পালাগানের অনেক চরিত্র ব্যবহার করেছেন কবি। চরিত্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোনছর মালুম, কাফন চোরা, ভেলুয়া, মলকামনু, মলুয়া, নলুয়া, মহুয়া, কালিন্দী বিবি প্রভৃতি।

সেমেটিক মিথের উল্লেখযোগ্য উল্লেখ হলোহাবিল, কাবিল, সোলায়মান, হাবিয়া দোজখ প্রভৃতি। ‘একদিন সেগুন ছাদের নিচে’ কবিতায় আকলিমা ফুলের বিরহকে কবি বর্ণনা করেছেন এভাবে

হাবিলকে হারিয়ে কাবিলের অন্ধকার বেষ্টনীতে

পড়ে থাকা আকলিমাফুলের মতো আমি এখন

ক্রমশ ডুবে যাচ্ছি

গ্রীক মিথের আছে হেলেন, হোমার, হেকটর, একিলেস প্রভৃতি। এছাড়া মোটিফের মতো এসেছে চট্টগ্রামের স্থানীয় বিপুল শব্দ ও কিংবদন্তি। যেমন ওহাবি লতা শব্দটির ব্যবহার শুধু চট্টগ্রামেই দেখা যায়। চট্টগ্রামের আদিনাম জ্বলনধারার উল্লেখও আছে প্রসঙ্গক্রমে। কবি বলেছেনচিড়িংঘাটার রূপ আছে ওই জ্বলনধারাতেই। কবির ইতিহাসজ্ঞান কোনো কোনো কবিতাকে বেশ রহস্যময় করে তুলেছে। পিয়ারি বানু কবিতায় এমন কিছুর ইঙ্গিত আছে।

চকরিয়া দ্বীপের মতো তুমিও তিরোহিত হলে এই গ্রহ থেকে।

ইতিহাস সন্ধানী পাঠক এখানে থমকে দাঁড়াবেন। চকরিয়া দ্বীপ কীভাবে এই গ্রহ থেকে তিরোহিত হলো! আল মাহমুদের কবিতায় গালিসম্পর্কিত শব্দের নিপুণ ব্যবহার আমরা আগেই দেখেছি। শামসুল আরেফীনও এমন শব্দ ব্যবহার করেছেন ‘ধান্যবতীর এই যে দেশে’ কবিতায়। যা মূলত মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

সাম্প্রতিককালের কবিদের কবিতায় শিল্পসৌন্দর্যের চেয়ে দার্শনিক তত্ত্বের নিগূঢ় বুনন খুব লক্ষ্য করা যায়। যা সাধারণ পাঠকদের কাছে বেশ দুর্বোধ্য। কবিতা হলো একপ্রকার চমক। দীর্ঘ একটি কবিতার মাত্র একটি শব্দ বা একটি পঙক্তি পাঠককে বিদ্যুচ্চমকের মতো ক্ষণকালের জন্য হলেও মোহিত করে ফেলতে পারে। ‘সূর্যপুত্র’ কাব্যের কবিতাগুলো এমনই চমকসমৃদ্ধ। এখানে দার্শনিক চিন্তাসূত্রের চেয়ে নান্দনিক কোমলতা বেশি; গদ্যছন্দের বর্ণনকৌশলের চেয়ে তাললয়ের ছন্দমাধুর্য বেশি। ফলে বাংলা কবিতার বিপুল জগতে এই কাব্য সমহিমায় টিকে থাকবে দীর্ঘকাল।

পূর্ববর্তী নিবন্ধজামেয়া মাদরাসা অ্যালামনাইয়ের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু
পরবর্তী নিবন্ধমুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি একাত্তরের এক অনন্য দলিল