বাঁশখালীতে এবার জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে প্রথম হয়েছে কোকদন্ডী গুনাগরী উচ্চ বিদ্যালয়।
এ বছর বিদ্যালয়টির ১১৮ জন শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ট্যালেন্ট পুলে পাস করেছেন ৬ জন। সাধারণ গ্রেড পাস করেছেন ৭ জন। সবমিলিয়ে জুনিয়র বৃত্তি পরিক্ষায় পুরো বাঁশখালী উপজেলার মধ্যে কোকদন্ডী গুনাগরী উচ্চ বিদ্যালয় সবচেয়ে বেশি ১৩জন পাস করেছেন।
উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম এত বড় সাফল্য পেল কোকদন্ডী গুনাগরী উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিষয়ে কোকদন্ডী গুনাগরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা মোঃ ইদ্রিস বলেন, আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া। আমার স্কুলের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম এর তত্ত্বাবধানে, শিক্ষকদের প্রচেষ্টা, এলাকাবাসীর সহযোগিতা ও শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমে এত বড় অর্জন এসেছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, আসলে আমাদের শিক্ষক,অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদে সমন্বিত আন্তরিক প্রচেষ্টা এই ফলাফল অর্জনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে।আমাদের শিক্ষকরা পাঠদানে যেমন আন্তরিক, একইভাবে অভিভাবকরা সচেতন। আমি যখন এই বিদ্যালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করি তখন শপথ করেছিলাম এই বিদ্যালয় দিয়ে বাঁশখালীকে চ্যালেঞ্জ করার মত জায়গায় নিয়ে যাবো। আলহামদুলিল্লাহ আমার স্কুলের সকল শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রীরা মিলে তা করতে পেরেছি। এই বিজয় কোকদন্ডী গুনাগরী উচ্চ বিদ্যালয়ের সকলের বিজয়। আমি বর্তমান সরকারকে বলবো আমাদের স্কুলের মাঠের দিকে সুনজর দিন আমরা একটি স্মার্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উপহার দিবো। সামনে আরো নতুন কিছু আসতে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ।
উল্লেখ্য যে,বাঁশখালী উপজেলায় ৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২২৪৮ জন ছাত্র-ছাত্রী এই বছর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এতে ট্যালেন্ট পুলে ২০ জন ও সাধারণ গ্রেডে ৪৩ জনসহসর্বমোট ৬৩ জন পাস করেছেন।
তারমধ্যে কোকদন্ডী গুনাগরী উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১১৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে ট্যালেন্ট পুলে ৬ জন ও সাধারণ গ্রেডে ৭ জন পাস করেছেন।
এছাড়া বাঁশখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হতে ৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন তার মধ্যে থেকে সাধারণ গ্রেডে ৩ জন। বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৪৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে সাধারণ গ্রেডে ৪জন।বাণীগ্রাম সাধনপুর উচ্চ বিদ্যালয় হতে ৮৬জন অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে ট্যালেন্ট পুলে ১ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৬ জন। কালীপুর এজাহারুল হক উচ্চ বিদ্যালয় হতে ৪৮ জন অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে সাধারণ গ্রেডে ১ জন।
সাধনপুর পল্লী উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয় হতে ৭১ জন অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে ট্যালেন্ট পুলে ২ এবং সাধারণ গ্রেডে ১জন। নাপোড়া শেখেরখীল উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১২৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে ট্যালেন্ট পুলে ২ এবং সাধারণ গ্রেডে ২ জন।
চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৮১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে সাধারণ গ্রেডে ৩ জন।
নাটমুড়া পুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১০১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে ট্যালেন্ট পুলে ১ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৫ জন।
পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১২৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে ট্যালেন্ট পুলে ১ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ১ জন।
নাসেরা খাতুন বালিক উচ্চ বিদ্যালয় হতে ৮২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে ট্যালেন্ট পুলে ২ জন। কাথারিয়া বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৩২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে সাধারণ গ্রেডে ১ জন।
বাঁশখালী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১২৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে ট্যালেন্ট পুলে ২ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ১ জন।
বাহারচড়া রত্নপুর উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৪৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে ট্যালেন্টপুলে ২ এবং সাধারণ গ্রেডে ৫ জন।
এম আনোয়ারুল আজিজ উচ্চ বিদ্যালয় হতে ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে সাধারণ গ্রেডে ১ জন। আনোয়ারা বেগম স্কুল এন্ড কলেজ হতে ১৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন তার মধ্য থেকে সাধারণ গ্রেডে ১ জন পাস করেছেন।











