পেকুয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

‘সারা দেশে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পেকুয়ার গুণীজনরা’

| শনিবার , ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব অধ্যাপক আমিরুল মোস্তফা বলেছেন, পেকুয়ার গুণীজনরা সারা দেশে সুনামের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এসব গুণীজনের ইতিহাস লিপিবদ্ধ হওয়া জরুরি ছিল। পেকুয়ার ইতিহাস–ঐতিহ্য সত্যিকার অর্থেই গর্বের। উপজেলার ইতিহাস–ঐতিহ্য রক্ষায় বইটি আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গত রোববার পেকুয়া উপজেলা সমিতি চট্টগ্রামের উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘পেকুয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. এস এম নছরুল কদির। পেকুয়া সমিতি চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুর রহিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. রেজাউল করিম, দৈনিক আজাদীর সহযোগী সম্পাদক রাশেদ রউফ ও শিক্ষক প্রশিক্ষক ড. মীর আবু সালেহ শামসুদ্দিন শিশির। বক্তব্য রাখেন গীতিকার ইকবাল হায়দার, ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আশরাফ আলী, সাবেক প্রধান শিক্ষক এনামুল হক চৌধুরী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক মাহফুজুল হক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ, গবেষক, প্রাবন্ধিক, আইনজীবী, ব্যাংকার, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ।

বইটি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা ও এর বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন বইটির লেখক পেকুয়া সমিতি চট্টগ্রামের সহ–সভাপতি শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যক্ষ এইচ এম ফজলুল কাদের।

বইটিতে পেকুয়ার ইতিহাস, নামকরণ, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনমান ও পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া বইটিতে স্থান পেয়েছে বতর্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত আধুনিক পেকুয়া উপজেলার কথাও।

লেখক এইচ এম ফজলুল কাদের বলেন, আশা করি– গবেষণালব্ধ গ্রন্থটি পেকুয়াবাসীর দীর্ঘদিনের অভাব পূরণ করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে উপজেলার প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন গঠন
পরবর্তী নিবন্ধন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে