দেশের ৬৪ জেলার আইন–শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে চট্টগ্রামের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে। অন্যদিকে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিনের ভাগে পড়েছে তিন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটি। খবর বিডিনিউজের।
কে কোন জেলার দায়িত্বে–ইকবাল হাসান মাহমুদ : রাজশাহী ও নাটোর। ড. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন : লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়। আব্দুল আউয়াল মিন্টু : লক্ষ্মীপুর। নিতাই রায় চৌধুরী : চুয়াডাঙ্গা। খন্দকার আবদুল মুক্তাদির : হবিগঞ্জ। আরিফুল হক চৌধুরী : মৌলভীবাজার। মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি : চট্টগ্রাম। এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত : শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা। আসাদুল হাবিব দুলু : ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর। মো. আসাদুজ্জামান : খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট। জাকারিয়া তাহের : ফেনী ও নোয়াখালী। সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল : মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ। সাচিং প্রু : কক্সবাজার। মো. শরীফুল আলম : টাঙ্গাইল ও নরসিংদী। শামা ওবায়েদ ইসলাম : মাদারীপুর ও শরীয়তপুর। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত : মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ। আব্দুল বারী : বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ। সুলতান আহমেদ টুকু : ঢাকা। মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন : খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটি। হাবিবুর রশিদ : গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ। মো. রাজীব আহসান : বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর। মীর শাহে আলম : রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম। ফারজানা শারমিন : সিরাজগঞ্জ ও পাবনা। শেখ ফরিদুল ইসলাম : যশোর, মাগুরা ও নড়াইল। ইয়াসের খান চৌধুরী : জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ। আহমেদ সোহেল মঞ্জুর : বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি। মোহাম্মদ শামীম কায়সার : জয়পুরহাট ও নওগাঁ। মো. জি কে গউস : সিলেট ও সুনামগঞ্জ। মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ : রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ। এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান : ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুর। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্তরা নিজ নিজ জেলার আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, গুরুতর অপরাধ দমন, সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারক এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারবেন। প্রয়োজনে জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সভায়ও অংশ নিতে পারবেন তারা।









