‘১৮ কোটি মানুষ হাসিনার আগুন সন্ত্রাসকে প্রতিহত করবে’

মহানগর যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

আজাদী প্রতিবেদন | বুধবার , ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ১১:০০ পূর্বাহ্ণ

পরিকল্পিত সন্ত্রাস’র মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নগরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিক্ষোভ মিছিলটি জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ময়দান থেকে শুরু হয়। পরে ওয়াসা মোড় হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিইসি মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মধ্য দিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে যুবদল নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বৈরশাসক সারা দুনিয়ায় কোথাও আর রাজনীতেতে ফিরে আসতে পারে নাই। বাংলাদেশেও পারবে না। ১৮ কোটি মানুষ প্রতিহত করবে হাসিনার আগুন সন্ত্রাসকে। অপরাজনীতির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্টসহিংসতা নয়, শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন। প্রতিহিংসা নয়, আইনের শাসন। আমার বিভাজন চাই না, চাই জনগণের ঐক্য।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি। বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ। দীপ্তি বলেন, বিএনপির রাজনীতি হলো মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার রাজনীতি।

মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, দেশের বাইরে থেকে এদেশে আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার ফিরে আশার স্বপ্ন আমৃত্যু স্বপ্নই থেকে যাবে। দেশের স্বার্থে আসুন, আমরা সবাই মিলে অপরাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করি এবং একটি শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলি। তিনি যুবদল নেতৃবৃন্দ, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন ১৫টি থানা ও ৪৩ সাংগঠনিক ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যুবদলের নেতাকর্মীদের সর্বদা অপরাজনীতির বিরুদ্ধে সর্তক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেন।

শাহেদ বলেন, আমরা এমন রাজনীতি চাই না, যেখানে মানুষের জানমাল ঝুঁকিতে পড়ে, ভিন্নমত দমনের চেষ্টা হয় কিংবা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আমরা চাই যুক্তির রাজনীতি, সহনশীলতার রাজনীতি এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাজনীতি। নিষিদ্ধ সংগঠন এদেশের প্রচলিত আইনে রাজনীতি করতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বিএনপি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। কিন্তু দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থ যে কোন সময় কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না।

বিক্ষোভ মিছিলে যুবদল নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইকবাল হোসেন, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মো. হারুন, জসিমুল ইসলাম কিশোর, মজিবুর রহমান, আবু সুফিয়ান, অরূপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকি, মোশাররফ হোসাইন, মো. হুমায়ূন কবির, মোহাম্মদ সেলিম খাঁন, রাশেদুল হাসান লেবু, এরশাদ উল্লাহ, এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, জহিরুল ইসলাম জহির, সেলিম উদ্দীন রাসেল, ইকরামুল হক ছুট্টু, রাজন খাঁন, হেলাল হোসেন হেলাল, গুলজার হোসেন, আসাদুর রহমান টিপু, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, শাহজালাল পলাশ, মজিবুর রহমান রাসেল, ওসমান গনি সিকদার, আহাদ আলী সায়েম, তানভীর মল্লিক, এস এম ফারুক প্রমুখ।

জিল্লুর রহমান জুয়েল, মহিউদ্দিন মুকুল, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মোহাম্মদ ইকবাল, আসাদুজ্জামান রুবেল, আতিকুর রহমান আতিক, মনোয়ার হোসেন মানিক, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ ও কমল জ্যোতি বড়ুয়া।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবাঁশখালীর আহমদিয়া ডলমপীর সিনিয়র মাদ্রাসায় আলোচনা সভা
পরবর্তী নিবন্ধপরবর্তী প্রজন্মকে নিজেদের যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে প্রস্তুত করুন