১৬ বছর পর স্পেনের বিশ্বজয়

আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে সোনালি ট্রফি ইয়ামালদের হাতে

সুলতান মাহমুদ সেলিম | সোমবার , ২০ জুলাই, ২০২৬ at ৬:৫৮ পূর্বাহ্ণ

না, মেসির মহাকাব্য রচিত হলো না। টানা দুবার বিশ্বকাপ হাতে নেয়া হলো তাঁর। বিশ্বব্যাপী আর্জেন্টিনার অগণিত দর্শককে কাঁদিয়ে তরুণ ইয়ামালের স্পেন বিশ্বকাপ শিরোপা জিতে নিল। তারা ১০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ১৬ বছর পর আবারো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলো। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতলো স্পেন। ২০১০ সালে প্রথমবার স্পেন বিশ্বকাপ শিরোপার স্বাদ পায়। আর্জেন্টিনা যেন এবার ইতিহাসকেই ফিরিয়ে আনলো। ১৯৮৬ তে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ১৯৯০ সালেও তারা ফাইনালে উঠেছিল। কিন্তু পেনাল্টিতে জার্মানীর কাছে হেরে আর্জেন্টিনা রানার্স আপ হয়েছিল। এবারও তাই হলো। ২০২২ এ আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন। ২০২৬ এ ফাইনালে উঠেও রানার্স আপ হলো তারা। এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে খারাপ ম্যাচ খেললো আর্জেন্টিনা ফাইনালে এসে। তাদের বাজে দিনে নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই ডান দিক দিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলে স্পেন। পেদ্রো পোররোর ক্রস দূরের পোস্টে নিয়ন্ত্রণে নেন নিকো উইলিয়ামস। অসাধারণ দক্ষতায় বলটি নামিয়ে দেন ফেরান তোরেসের সামনে। এক মুহূর্ত দেরি না করে ডান পায়ের জোরালো ভলিতে এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করেন তোরেস। ১০৬ মিনিটের সেই গোলেই ১০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। বিশ্বকাপ ফাইনালে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে গোল করা ইতিহাসের মাত্র পঞ্চম ফুটবলার হন তোরেস। ১১৩ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটা করেই ফেলেছিলেন আবারো ফেরান তোরেস। কিন্তু অফসাইডে বাতিল হয় সেই গোল। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধ থেকেই গোলের জন্য মরিয়া ছিল স্পেন। ৯৩ মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের হেড দারুণভাবে রুখে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ৯৬ মিনিটে উইলিয়ামস বল জালে পাঠালেও ভিএআর পর্যালোচনার পর মিকেল মেরিনোর ফাউলের কারণে গোল বাতিল করেন রেফারি। এতে স্বস্তি ফিরে পায় আর্জেন্টিনা। ১০৫ মিনিটে আবারও খুব কাছে চলে গিয়েছিল স্পেন। উইলিয়ামসের ক্রস থেকে মেরিনোর হেড অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। গোল হজমের পর সব শক্তি দিয়ে আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসি একের পর এক সেটপিস ও কর্নার থেকে সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করেন। ১১৫ মিনিটে কর্নার থেকে তার ক্রস সরাসরি জালে ঢুকে যাওয়ার উপক্রম হলেও বল জালের ওপর দিয়ে চলে যায়। ১১৭ মিনিটে মেসির জোরালো শট নিজের মুখ দিয়ে আটকে দেন মিকেল মেরিনো। স্পেনের এই মিডফিল্ডার নিজের শরীর ঝুঁকিতে ফেলে দলকে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে বাঁচান। যোগ করা সময়ে কর্নার থেকে বল পেয়ে জুলিয়ানো সিমেওনের সামনে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল। তবে পড়তে পড়তে নেওয়া তার শট উড়ে যায় সিমনের ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে। এর কিছুক্ষণ আগেও মেসির ফ্রিকিক থেকে তৈরি হওয়া বিপজ্জনক পরিস্থিতি যৌথভাবে সামাল দেন মেরিনো ও তরুণ ডিফেন্ডার পাও কুবার্সি। সব মিলিয়ে শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত মরিয়া চেষ্টা চালালেও ১০ জনের আর্জেন্টিনা আর গোল শোধ করতে পারেনি।

গতকালের ফাইনালে শুরু থেকেই বলের দখল নিয়ে খেললেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি স্পেন। অন্যদিকে লিওনেল মেসিকে ঘিরে নিজেদের আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা করলেও জমাট স্প্যানিশ রক্ষণ ভাঙতে পারেনি আর্জেন্টিনা। গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। এর মধ্যে ম্যাচের ৪৪ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন সেন্টারব্যাক লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। প্রথমার্ধের খেলায় সুস্পষ্ট আধিপত্য ছিল স্পেনের। বল দখলে তারা সবচেয়ে এগিয়ে। ৬৫ ভাগ বলের দখল ছিল স্প্যানিশ ফুটবলারদের পায়ে। ৩৫ ভাগ ছিল আর্জেন্টিনার। লিওনেল মেসিদের জন্য সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হচ্ছে, স্পেনের গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি তারা। অথচ স্পেন গোলে শট নিয়েছে ৩টি। প্রতিপক্ষের বঙে বল নিয়ে স্পেন সাতবার প্রবেশ করলেও আর্জেন্টিনা একবারও পারেনি। স্পেনের ফুটবলাররা পাস দিয়েছে ৩১৩টি। বিপরীতে আর্জেন্টিনা পাস দিয়েছে মাত্র ১৫৫টি। স্পেনের অর্ধেকেরও কম। স্পেন কর্নার পেয়েছে ২টি, আর্জেন্টিনা একটিও পায়নি। মূলত মিডফিল্ডের ওপরে বল নিয়েই উঠতে পারেনি আর্জেন্টিনা। মিডফিল্ডে স্পেনের রদ্রির কাছেই বার বার থেমে যেতে হচ্ছিল তাদের। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের স্বভাবসুলভ পাসিং ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। মাত্র পঞ্চম মিনিটেই বড় সুযোগ তৈরি করেন লামিনে ইয়ামাল। তার ক্রস ডিফ্লেক্ট হয়ে দানি ওলমোর কাছে যায়। ওলমো আবার বল ফিরিয়ে দিলে ইয়ামালের শট যৌথভাবে রুখে দেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। প্রথম ১৫ মিনিটে স্পেনের আক্রমণের মূল ভরসা ছিল ডান প্রান্ত। ইয়ামাল ও পেদ্রো পোররোর সমন্বয়ে একের পর এক আক্রমণ চালায় লা রোজা। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা বারবার চেষ্টা করে নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ও নিকো গনসালেসের দিক দিয়ে আক্রমণ গড়তে। ১৭ মিনিটে লিওনেল মেসিকে ফাউল করে ফ্রিকিক উপহার দেন আলেঙ বায়েনা। রদ্রিগো ডি পলের নেওয়া সেই ফ্রিকিক থেকে ব্যাক পোস্টে ছুটে আসা নিকো গনসালেসকে খুঁজে পেলেও বল নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হন তিনি। ২২ মিনিটে ম্যাচে প্রথমবারের মতো নিজের জাদু দেখান মেসি। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে দারুণ এক থ্রু পাস বাড়ান নিকো গনসালেসের উদ্দেশে। তবে গনসালেসের দুর্বল প্রথম স্পর্শে সুযোগটি নষ্ট হয়ে যায়। এরপর ২৫ মিনিটে প্রথম কুলিং ব্রেকের জন্য খেলা থামান রেফারি।

কুলিং ব্রেকের পর আবারও আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় স্পেন। ৩৩ মিনিটে বায়েনার ক্রস রোমেরো ক্লিয়ার করলেও স্পেনের চাপ অব্যাহত থাকে। ৩৫ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের দারুণ পাসে বাম দিক দিয়ে উঠে আসেন মার্ক কুকুরেয়া। তবে তার ক্রস নির্দিষ্ট ঠিকানা খুঁজে পায়নি। ৩৭ মিনিটে গনসালো মনতিয়েলের দারুণ ট্যাকল আর্জেন্টাইন সমর্থকদের উজ্জীবিত করে। কুকুরেয়াকে বলসহ থামিয়ে সম্ভাবনাময় আক্রমণ নষ্ট করেন তিনি। ৩৯ মিনিটে ম্যাচের অন্যতম সেরা সুযোগ পায় স্পেন। লাপোর্তে, রদ্রি ও বায়েনার দারুণ সমন্বয়ের পর ফাবিয়ান রুইজ বল বাড়িয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবালের কাছে। বঙের বাইরে থেকে নেওয়া তার জোরালো বাঁপায়ের শট দারুণ দক্ষতায় নিচু হয়ে ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ৪১ মিনিটে বিপজ্জনক পাল্টা আক্রমণ থামাতে গিয়ে ওইয়ারসাবালকে ফাউল করেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন এই ডিফেন্ডার। তবে সেই চ্যালেঞ্জেই চোট পান তিনি। চিকিৎসার পরও খেলা চালিয়ে যেতে না পারায় ৪৪ মিনিটে তার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে কুকুরেয়াও দূরপাল্লার শটে ভাগ্য পরীক্ষা করেছিলেন। তবে তার বাঁপায়ের প্রচেষ্টা অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। গোলশূন্য অবস্থায় বিরতির পথে এগোলেও ম্যাচে বলের দখল, আক্রমণ ও সুযোগ তৈরিতে এগিয়ে ছিল স্পেন।

দ্বিতীয়ার্ধে উত্তেজনার কোনো কমতি ছিল না। একের পর এক আক্রমণে আর্জেন্টিনাকে চেপে ধরে স্পেন, আর এমিলিয়ানো মার্টিনেজের দুর্দান্ত গোলকিপিংই বারবার বাঁচায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। শেষ মুহূর্তে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখায় ১০ জনের দলে পরিণত হয়েছে আর্জেন্টিনা। বিরতির পর থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয় স্পেন। ৪৬ মিনিটেই লিয়ান্দ্রো পারেদেসের ভুল পাস থেকে সুযোগ পেয়েছিলেন আলেঙ বায়েনা। তবে তার শট সামলে নেন মার্টিনেজ। ৫২ মিনিটে ম্যাচে উত্তেজনা ছড়ায়। বদলি হিসেবে নামা পারেদেস রদ্রিকে পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন। সেই ঘটনাকে ঘিরে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে কিছুক্ষণ উত্তপ্ত পরিস্থিতিও তৈরি হয়। স্পেনের আক্রমণের ধার এরপর আরও বাড়তে থাকে। ৫৫ মিনিটে নিকোলাস ওতামেন্দির সময়োপযোগী ট্যাকল, ৫৬ মিনিটে গঞ্জালো মন্টিয়েলের গোললাইন রক্ষা এবং ৬৪ মিনিটে দানি ওলমোর শট মার্টিনেজের হাত ফসকে গেলেও গোল না হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে আর্জেন্টিনা। ৬২ মিনিটে স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে একসঙ্গে দুই পরিবর্তন আনেন। মিকেল ওইয়ারসাবালের জায়গায় ফেরান তোরেস এবং ফাবিয়ান রুইজের বদলে নামান পেদ্রি। পরে ৭৫ মিনিটে আলেঙ বায়েনার পরিবর্তে নিকো উইলিয়ামস এবং দানি ওলমোর বদলে মিকেল মেরিনোকে নামিয়ে আক্রমণে নতুন গতি আনার চেষ্টা করেন তিনি। অন্যদিকে লিওনেল স্কালোনি বিরতির পর থেকেই একের পর এক পরিবর্তন করতে বাধ্য হন। প্রথমে পারেদেসকে নামানোর পর চোটের কারণে মাঠ ছাড়েন গঞ্জালো মন্টিয়েল ও ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। এছাড়া রদ্রিগো ডি পলের জায়গায় জুলিয়ানো সিমেওনেকেও মাঠে নামান আর্জেন্টিনা কোচ। ম্যাচের ৬৫ মিনিটের পর থেকে স্পেনের চাপ আরও বেড়ে যায়। লামিনে ইয়ামালের একের পর এক ড্রিবল, পেদ্রি, ফেরান তোরেস, আয়মেরিক লাপোর্ত এবং পাও কুবার্সির শটসবই ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। বিশেষ করে ৬৭ মিনিটে ইয়ামালের নিখুঁত ক্রস থেকে ফেরান তোরেসের হেড এবং ৮০ মিনিটে লাপোর্তের হেড দারুণভাবে রুখে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক।

৭০ মিনিট পর্যন্ত আর্জেন্টিনা একটি শটও নিতে পারেনি। অন্যদিকে ইয়ামাল নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে যান পুরো ম্যাচজুড়ে। শেষ ১০ মিনিটে ম্যাচ আরও নাটকীয় হয়ে ওঠে। ৮২ মিনিটে প্রতিবাদ জানিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন এনসো ফার্নান্দেজ। এরপর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। মাঝমাঠে ঢিলে বলের দখল নিতে গিয়ে পাও কুবার্সির ওপর বিপজ্জনক ট্যাকল করেন এনসো। সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে তাকে মাঠ থেকে বের করে দেন রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। ১০ জনের আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেই সময়ই জয়ের সুবর্ণ সুযোগ পায় স্পেন। নিকো উইলিয়ামস একক প্রচেষ্টায় বঙে ঢুকে জোরালো শট নিলেও আবারও বাধা হয়ে দাঁড়ান এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। অতিরিক্ত চার মিনিট যোগ হলেও আর গোলের দেখা মেলেনি। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিট। তবে শেষ মুহূর্তে এনসো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড অতিরিক্ত সময়ে স্পেনকে সংখ্যাগত সুবিধা এনে দেয়, আর ১০ জনের আর্জেন্টিনাকে তখন লড়তে হয় বিশ্বকাপ শিরোপা বাঁচানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে। নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং ইনজুরি সময়ে মিলিয়ে প্রায় ১০০ মিনিটের খেলা হয়। কিন্তু কোনো দলই গোল বের করতে পারেনি। যার ফলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। এবার নবাগত কেপ ভার্দের বিপক্ষে ড্র দিয়ে শুরু হয়েছিল স্পেনের বিশ্বকাপ অভিযান। এরপর গ্রুপ পর্বে সৌদি আরব ৪০ গোলে এবং উরুগুয়েকে ১০ গোলে হারিয়ে তারা নকআউট পর্ব রাউন্ড অব বত্রিশে উন্নীত হয়। সেখানে স্পেন ৩০ গোলে অস্ট্রিয়াকে পরাজিত করে রাউন্ড অব সিঙটিন পর্বে যায়। এ পর্বে তারা পরাস্ত করে পর্তুগালকে ১০ গোলে এবং কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যায়। কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন ২১ গোলে বেলজিয়ামকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে যায়। সেমিফাইনালে তারা অপর শিরোপা প্রত্যাশি ফ্রান্সকে ২০ গোলে উড়িয়ে ফাইনালে উন্নীত হয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধগোল্ডেন বুট এমবাপ্পের
পরবর্তী নিবন্ধসকাল থেকে নিখোঁজ, বিকেলে শিকলবাহা খালে মিলল বৃদ্ধের লাশ