২০০৮ সালে নতুন অভিজ্ঞতার ট্যাগ নিয়ে সম্পূর্ণ বাংলাদেশি মালিকানাধীন ব্র্যান্ড সিম্ফনি মোবাইলের যাত্রা শুরু হয়। ২০০৯ সালে এই যাত্রারই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠিত হয় এডিসন গ্রুপ, যে গ্রুপের পতাকাতলে আজ সিম্ফনি মোবাইল একটি অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান হিসেবে এগিয়ে চলেছে। শুরু থেকে সিম্ফনি মোবাইল স্বল্প দামের ভেতরে নিত্যনতুন ফিচার আর ইনোভেটিভ ডিজাইনের হ্যান্ডসেট বাজারজাত করা শুরু করে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের ফোন কিনতে তখন মানুষকে ৭ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ করতে হতো, যা নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য ছিল প্রায় বিলাসিতার সমান। সিম্ফনি মোবাইলের হাত ধরেই বাংলাদেশের মানুষ প্রথম কোয়ার্টি কিপ্যাড, টাচ ফোন, পিডিএ ফোন এবং এন্ড্রয়েড ফোন চালানোর স্বাদ পায়। ১৬ বছরের এই গল্পে যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়-‘সিম্ফনি মোবাইল এখন ১৪ কোটি মানুষের পরিবার।’ ফরিদপুরের রুবেল হোসেন হয়েছেন সিম্ফনির ১৩ কোটি ৯৯ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৮তম গ্রাহক। তাঁর ঠিক পরেই, ১৩ কোটি ৯৯ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৯তম গ্রাহক হিসেবে হয়েছেন নারায়ণগঞ্জের নাদিয়া আক্তার। আর তারপরই আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত, ময়মনসিংহের মাফিজা খাতুন গর্বের সঙ্গে হয়ে ওঠেন সিম্ফনির ১৪ কোটিতম গ্রাহক।
মাত্র কয়েকটি সংখ্যার ব্যবধান, কিন্তু ইতিহাসের পাতায় এই তিনজনের নাম এখন একসঙ্গে লেখা থাকবে। রুবেল, নাদিয়া আর মাফিজা–তিনজনই আজ সিম্ফনির কোটি কোটি গ্রাহকের প্রতিনিধি হয়ে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের অভ্যর্থনা তাই শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সিম্ফনির এই ১৪ কোটি গ্রাহকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি প্রতীক।
অনুষ্ঠানের আকর্ষণ অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব।
এডিসন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিম্ফনি মোবাইলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জাকারিয়া শাহিদ বলেন, এই অর্জনের পেছনের আসল শক্তি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা আর আস্থা। ভবিষ্যতেও গ্রাহকের প্রয়োজন আর নতুন প্রযুক্তিকে কেন্দ্রে রেখেই সিম্ফনি ও এডিসন গ্রুপ একসঙ্গে এগিয়ে যেতে চায় বলে জানান তিনি।
১৪ কোটি গ্রাহকের এই মাইলফলকই শেষ নয়, বরং আরেকটি বড় যাত্রার শুরু। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে দ্রুতগতির সংযোগ–প্রযুক্তির জগৎ পাল্টাচ্ছে প্রতিনিয়ত, আর সেই বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের মানুষের জন্য আরও আধুনিক, প্রয়োজনভিত্তিক ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি নিয়ে আসাই এডিসন গ্রুপ ও সিম্ফনি মোবাইলের আগামী দিনের লক্ষ্য। ১৪ কোটি শুনতে একটি সংখ্যা মাত্র। কিন্তু এর পেছনে আছে ১৪ কোটি গল্প, ১৪ কোটি মানুষের আস্থা, ১৪ কোটি পরিবারের ভালোবাসা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











