১০০ দিনের ভেতর শান্তি আলোচনা চান মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

বিদ্রোহীদের প্রত্যাখ্যান

| বুধবার , ২২ এপ্রিল, ২০২৬ at ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ

সামরিক বাহিনী সমর্থিত মিয়ানমারের নতুন সরকার চলতি বছরের জুলাইয়ের মধ্যেই বিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসতে চায় বলে জানিয়েছেন জান্তাপ্রধান থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া মিন অং হ্লাইং। খবর বিডিনিউজের।

তবে মঙ্গলবার দুটি শীর্ষ বিদ্রোহী গোষ্ঠী তার এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সরকারি এক বৈঠকে হ্লাইং বিদ্রোহীদের আলোচনায় আসার ওই প্রস্তাব দেন বলে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়। বৈঠকে মিয়ানমারের এখনকার প্রেসিডেন্ট বলেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ নয় এমন বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আগামী ১০০ দিনের মধ্যে শান্তি আলোচনায় বসতে চান তিনি।

যে গোষ্ঠীগুলো এখনও সংলাপ বা আলোচনায় আসেনি, তাদেরও আমরা ৩১ জুলাইয়ের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই আলোচনায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানাই, বলেছেন হ্লাইং। তিনি কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন, চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট, অল বার্মা স্টুডেন্টস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের মতো বিদ্রোহী অনেক গোষ্ঠীর নামও নেন। বক্তৃতায় হ্লাইং মূলত নেশনওয়াইড সিজফায়ার এগ্রিমেন্টে (এনসিএ) স্বাক্ষরকারীদের দিকে ইঙ্গিত করেছেন।

ওই চুক্তিটি হয়েছিল ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের অনেক আগে। ওই অভ্যুত্থানই হ্লাইংকে ক্ষমতায় বসায় এবং এনসিএকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দেয়। কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নের (কেএনইউ) মুখপাত্র স ত নি সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর কেএনইউ ইতিমধ্যে এনসিএ থেকে সরে এসেছে। আলোচনায় ফেরা বা এনসিএর পথ অনুসরণের কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই, বলেছেন তিনি।

চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (সিএনএফ) মুখপাত্র সালাই হতেত নি বলেছেন, তাদের দল সামরিক বাহিনীর প্রভাবমুক্ত একটি কেন্দ্রীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চায়। যেহেতু আমরা একটি সামরিকরাজনৈতিক লড়াইয়ে আছি, তাই যারা সামরিক বাহিনীর চেহারাটা পাল্টে নিজেদের প্রশাসন ডাকছে, তাদের কারো সঙ্গে আলোচনার কিছু নেই আমাদের, বলেছেন তিনি।

২০২১ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অং সান সু চি’র নেতৃত্বাধীন সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই দেশটি টালমাটাল সময় পার করছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম
পরবর্তী নিবন্ধচকরিয়ায় বেড়িবাঁধ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার