গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। খবর বাংলানিউজের।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এক হাজার ১০৯ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত মোট হামরোগীর সংখ্যা এক লাখ ৯৫ হাজার ১৯৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৪৩ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৬৬৬ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ৭৩ হাজার ২৪ জন। একই সময় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এক লাখ ৬৭ হাজার ৭৫৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আটজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট এক হাজার ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ডেঙ্গু : এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৬০৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি এসব রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২৫১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩১৯ জন, ঢাকা বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরে ৩১৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৩ জন, খুলনা বিভাগে ২৭৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩২ জন, রংপুর বিভাগে ৬২ জন রয়েছেন।
চলতি বছরের ৩ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৪ হাজার ৩৬৯ জন। চলতি বছরে এ যাবত মোট ৭৮ হাজার ৪৮২ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন এক হাজার ৬২১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এ যাবৎ ডেঙ্গুতে সারাদেশে মোট ২৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।













