আগামী বছর বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে ৭৮ হাজার ৫০০ জনকে সৌদি আরব সরকার সুযোগ দিলেও আরও ২০ হাজার কোটা চেয়েছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। ধর্ম মন্ত্রণালয় সংগঠনটির এ দাবি আমলে নিয়ে সৌদি সরকারের কাছে চিঠি দিলেও এখনো সাড়া মেলেনি। খবর বিডিনিউজের।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফরহাদ আহমেদ শুক্রবার বিকালে বলেন, ‘বাড়তি কোটার বিষয়টি সৌদি সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।’ হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, ‘আরও ২০ হাজার হজ কোটা বাড়ানোর জন্য বলেছি। সরকার এবং মাননীয় ধর্মমন্ত্রীকেও বিষয়টি নিয়ে বেশ আন্তরিক মনে হয়েছে। তারা ডিও লেটার দিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। এখন সৌদি সরকারের সম্মতি পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।’ আগামী বছর হজ করতে আগ্রহীদের নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হয়েছে গত ২৪ সেপ্টেম্বর। নির্ধারিত কোটা পূরণ হওয়ায় নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হয়নি। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, হজে যেতে এখন পর্যন্ত সরকারি মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন ৫ হাজার ৯০ জন, আর বেসরকারি মাধ্যমে নিবন্ধন সেরেছেন ৭০ হাজার ৮৯২ জন। সবমিলিয়ে ৭৫ হাজার ৯৮২ জন আগামী বছর হজে যেতে নিবন্ধন সেরেছেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফরহাদ আহমেদ বলেন, অনেকে নিবন্ধনের ভাউচার সংগ্রহ করেছেন। নিবন্ধিতদের সঙ্গে হজ ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরাও যুক্ত হবেন। সবমিলিয়ে কোটা পূরণ হয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে হজ অনুষ্ঠিত হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয় বলছে, বাংলাদেশ থেকে হজের ভিসা দেওয়া শুরু হবে আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে। এরপর ৮ এপ্রিল হজের প্রাক ফ্লাইট শুরু হবে।










