ইয়েমেনের হুতিদের একের পর এক হামলার মধ্যে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াতে জরুরি সামরিক বৈঠকে বসতে যাচ্ছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। সৌদি আরবের রিয়াদে তিন দেশের সেনাপ্রধানদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গতকাল শুক্রবার সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় বৈঠকটি আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এতে হুতিদের হামলার মুখে সৌদি আরবকে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করবেন তিন দেশের সামরিক প্রধানরা। এর আগে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করেন। সেখানে সৌদি আরবের মক্কা ও অন্যান্য বেসামরিক স্থাপনায় হামলার নিন্দা জানানো হয়। পাশাপাশি নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষায় সৌদি আরবের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন তারা। গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। চুক্তির মূল নীতিগুলোর একটি হলো–তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর আওতায় সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। খবর বাংলানিউজের।
সৌদি আরবে সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স : এদিকে লোহিত সাগরপথে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা ইয়ানবু বন্দর এখন বাড়তি নিরাপত্তার আওতায়। ইরান–সমর্থিত হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর বন্দরটি রক্ষায় সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স। সেখানে সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠাবে দেশটি। গত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে ফ্রান্সের টেলিভিশন চ্যানেল টিএফ১ ও ফ্রান্স ২–কে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ। তিনি বলেন, ইয়ানবু বন্দর সুরক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ফ্রান্স সামরিক সরঞ্জাম ও সদস্য পাঠাবে। তবে এর উদ্দেশ্য কোনো সংঘাতে জড়ানো নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ বন্দরটি সুরক্ষিত রাখা।












