জি বাংলা সারেগামাপা খ্যাত শিল্পী শুভ দাশ ও এ সময়ের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী ঐশী রক্ষিতের মৌলিক পুজোর গান ‘আগমনী’র আল্পনা’র মুক্তি উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা গতকাল বুধবার থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাংবাদিকতায় একুশে পদকপ্রাপ্ত দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী, আজিম গ্রুপের পরিচালক অনুপ বরণ দাশ।
সন্ধ্যায় সোমেশ্বর নৃত্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সংগীতশিল্পী ও বাকার সন্স গ্রুপ চেয়ারম্যান রিয়াজ ওয়ায়েজের সভাপতিত্বে অনুভূতি ব্যক্ত করেন সংগীতশিল্পী শুভ দাশ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, সংস্কৃতি হলো মানুষের ভেতরের অন্ধকার দূর করার সবচেয়ে বড় আলো। একটি সুন্দর, প্রগতিশীল সমাজ গঠনে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রযুক্তির এই যুগে যখন আমাদের তরুণ প্রজন্ম স্ক্রিন বা ভার্চুয়াল জগতে বন্দি হয়ে পড়ছে, তখন এই ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন তাদের মানবিক গুণাবলীকে জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করে। গান, নাটক আর নৃত্যের মতো শিল্পমাধ্যমগুলো মানুষের মনকে উদার করে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।
আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক আরও বলেন, আমাদের হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। আমাদের শিকড়কে ভুলে গেলে চলবে না। তরুণদের উদ্দেশ্যে আমি বলব তোমরা অপসংস্কৃতি বর্জন করে দেশীয় সংস্কৃতিকে বুকে ধারণ করো। তোমরাই পারবে শিল্পের মাধ্যমে সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ ও অন্যায় দূর করতে।
অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন, ‘গান শুনুন একাত্ম হয়ে যান তবেই সমাজে অসঙ্গতি দূর হয়ে যাবে। একটি গান সমাজের চিন্তা বদলে দেয়, নতুন মনস্তত্ব এনে দেয়। অনেক অনেক মৌলিক গান সৃষ্টি হউক। ছড়িয়ে পড়ুক বাংলা গানের শ্রুতি মাধুর্য।’
বক্তারা আরো বলেন, সময় বদলায়, সব বদলে যায়। গান শোনার মাধ্যমের পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু হাজার বছরের গান সবসময় একই রকম শুনে যাই।
আবৃত্তিশিল্পী কংকন দাশের উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য দেন, সংগঠনের পরিচালক সুকান্ত চৌধুরী। অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। গানটির গীতিকার ডা. অম্বরীষ মিত্র, সুর করেছেন শুভ দাশ, সংগীতায়োজনে মলয় কুমার ইন্দু মুকেশ ও অনুজিত বড়ুয়া লিমন।
এ সময় সংগীত পরিবেশন করবেন সংগীতশিল্পী শুভ দাশ ও ঐশী রক্ষিত। নৃত্য পরিবেশন করে সোমেশ্বর নৃত্যালয়ের শিল্পীরা।












