লোহাগাড়ায় মারসা পরিবহনের বাস আটকে রেখে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা। গতকাল রোববার সকালে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি ইউনিয়ন বনপুকুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, ওই স্থানে গত শনিবার মারসা পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ৪ যাত্রী নিহত ও অনেকে আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একটি দোকানও। ঘটনার পর স্থানীয়রা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছিলেন। এছাড়া বিচার না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি উদ্ধার করে নিয়ে যেতে বাধা প্রদান করেছিলেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসে বাস ২টি উদ্ধার করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে রাখা হয়। গতকাল রোববার সকালে মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী মারসা পরিবহনের কয়েকটি বাস থামিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় যানবাহন চলাচল ব্যাহত ও উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে। দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি সালাহ উদ্দিন চৌধুরী জানান, দুর্ঘটনাকবলিত মারসা পরিবহনের বাস ২টি উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদ এলাকায় রাখা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মধ্যস্থতায় দুর্ঘটনার বিষয়টি সমাধান করা হবে। লোহাগাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মং এছেন জানান, মারসা পরিবহনের প্রতিনিধি ও স্থানীদের সাথে বৈঠক হয়েছে। আশা করছি সোমবার (আজ) বিষয়টি সমাধান হয়ে যাবে।













