আনোয়ারায় হালিমা আক্তার মুন্নি (২১) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ মর্গে প্রেরণ করেছে। গতকাল রোববার সকাল ৯টায় উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের পশ্চিম বরৈয়া গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হালিমা আক্তার মুন্নি উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের কাঞ্চন মুন্সির বাড়ির বাসিন্দা মো. ইসহাকের কন্যা। নিহতের এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
নিহতের পরিবারের দাবি, স্বামীর পরিবারের লোকজন পরিকল্পিতভাবে হালিমাকে হত্যার পর তার লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী, শাশুড়িসহ ৪/৫ জনকে আসামি করে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে নিহত গৃহবধূর মুখে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে।
গতকাল রাত ৯টায় বাবার বাড়িতে নিহতের জানাজা শেষ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। নিহত হালিমার বাবা মো. ইসহাক বলেন, রোববার সকালে আমার মেয়ে হালিমার স্বামী মো. মিজান আমাকে ফোন করে জানায়–আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত পুলিশে খবর দিই এবং হালিমার শ্বশুর বাড়ি গিয়ে দেখি আমার মেয়েকে মারধর করে হত্যা করে বাড়ির সবাই লাশ ফেলে পালিয়ে যায়।
তিনি বলেন, বিয়ের কয়েক মাস পর থেকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রায়ই তাকে (হালিমা) নির্যাতন করত। এসব বিষয় নিয়ে কয়েকবার সামাজিক বৈঠকে মীমাংসাও হয়েছে। আমার মেয়ের শরীরে মারধরের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।
আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে নিহতের শরীর মুখে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।














