মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তুরস্কে চলমান আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামে গত শুক্রবার ‘গ্লোবাল রিফিউজি প্রটেকশন সিস্টেম ইন দ্য ফেইস অব ডিসপ্লেসমেন্ট ক্রাইসিস’ শীর্ষক বৈঠকে এ আহ্বান জানান তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও কার্যকর সমাধান রাখাইন রাজ্যেই নিহিত এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শুধু মানবিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আরও সক্রিয় ও ফলপ্রসূ ভূমিকা নিতে হবে। খবর বিডিনিউজের।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতন ও গণহত্যার মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইন (আরাকান) রাজ্য থেকে স্রোতের মত বাংলাদেশে ঢুকতে শুরু করে রোহিঙ্গারা। কয়েক মাসের মধ্যে সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারের উখিয়া–টেকনাফে আশ্রয় নেয়। যেখানে আগে থেকেই ক্যাম্পে বসবাস করছিল আরও চার লাখ। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ওই বছরের শেষ দিকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয় মিয়ানমারের অং সান সু চি সরকার। ওই বছর সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে সইও করে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক : সম্মেলনের ফাঁকে শুক্রবার পাকিস্তানের উপ–প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান সংঘাত সমাধানে যে আলোচনা, তার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে কথা বলেছেন তারা। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছার ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগের জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ড. রহমান। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার পথ নিয়েও আলোচনা করেছেন দুই মন্ত্রী।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।














