পটিয়ায় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা প্রবাল এঙপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় সঙ্গে থাকা আরেক নারী গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার দুপুর ১টার দিকে পটিয়া পৌর সদরের বাহুলী শ্রীমাই ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নুর নাহার (৫৫) কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার হোয়ালক ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাজুয়ারঘোনা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মো. মালেকের স্ত্রী। আহত রাশেদা বেগম (৬০) একই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সমিউদ্দিনের স্ত্রী। তাকে প্রথমে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পুলিশ, হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুর নাহার ও রাশেদা বেগম বাহুলী এলাকার একটি ক্ষেতে দিনমজুর হিসেবে কাজ করছিলেন। দুপুরে খাবার খেতে যাওয়ার জন্য তারা রেললাইন ধরে হাঁটছিলেন। এ সময় কঙবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী প্রবাল এঙপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় তারা দুজনই আহত হন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাদের উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থলেই নুর নাহারের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় রাশেদা বেগমকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা এস এম রেজা রিপন বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। নুর নাহার ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত রাশেদা বেগমকে প্রথমে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙে নেওয়া হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মুনতাহিনা বলেন, রাশেদা বেগমকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার মাথার বাম পাশে গভীর আঘাত লেগেছে এবং রক্ত জমাট বেঁধেছে। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পটিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমা বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। একজন নারী মারা গেছেন এবং আরেকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
রেলওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) অসীম চন্দ্র ধর বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি দুর্ঘটনা বলেই মনে হচ্ছে। নিহত নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত নারীর চিকিৎসা চলছে।












