রাঙ্গুনিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার সাহাব্দীনগর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সুরেশ মালাকারের ছেলে ছোটন মালাকারকে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের সাজা দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন মরিয়মনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দাসপাড়ার শ্যাম দাস (২২), হোসনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ নিশ্চিন্তপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শুকুর আলী (২৫), রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার গুনগুনিয়ার মো. আলমগীর বাদশা (২৮), ইছামতির মো. ইমাম (৩৫), কাটাখালীর অজিৎ দেবনাথ (২৬), সাপলেজাপাড়ার মো. খোরশেদ (৩০), মরিয়মনগর ইউনিয়নের পদ্মপুকুরপাড়ের মোহাম্মদ উল্লাহ (২৭) এবং মরিয়মনগর দাসপাড়ার দিগন্ত দাস (১৯)। পুলিশ জানায়, তাদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ৩৬(৫) ধারার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
প্রত্যেককে অর্থদণ্ডের পাশাপাশি সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহির উদ্দিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।












