রবীন্দ্রনাথের শ্রীনিকেতন

নীল রতন দাশগুপ্ত | শনিবার , ১১ এপ্রিল, ২০২৬ at ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ

ঐতিহাসিক শান্তি নিকেতনের পাশাপাশি বিশ্ব কবি, দার্শনিক, লেখক, গবেষক, সুরকার, গীতিকার, . রবীন্দ্রনাথ, ঋষি রবীন্দ্রনাথ, বিজ্ঞানী রবীন্দ্রনাথ, ধ্যানী রবীন্দ্রনাথ, কবিরাজ রবীন্দ্রনাথ, ডা. রবীন্দ্রনাথ (হোমিপ্যাথ ও বায়োপ্যাথ), প্রতিষ্ঠা করেছিলেন “শ্রী নিকেতন”। প্রতিষ্ঠাকাল ১৯২২ সাল শান্তি নিকেতনের দুই মাইল দূরে সুরুলে অবস্থিত একটি পল্লী। সেখানে গড়ে তুলেছিলেন স্বাস্থ্য সমবায় কেন্দ্র, সরকারি সহযোগিতায় শিশু ও মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র, কবির পৃষ্ঠপোষকতায় এন্টি ম্যালেরিয়া সমবায় সমিতি, গ্রামীণ জীবনের সার্বিক উন্নয়ন কেন্দ্র কৃষি আধুনিক করণ কেন্দ্র, কুটির শিল্প ও শিক্ষা প্রসার কেন্দ্র।

বাল্যকালে গৃহশিক্ষক অঘোর বাবুর মাধ্যমে নরকঙ্কাল দেখে রবীন্দ্রনাথের মানবদেহ সম্পর্কে কৌতুহল ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বাড়ে। রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধ “মানব শরীর” এ কবিগুরু লিখেছেন, আমাদের শরীরের কাজ যে কত অসংখ্য এবং কোষের দল সে সমস্ত কাজ যে কত সুনিপুনভাবে শৃঙ্খলা পূর্বক নির্বাহ করে তাহা আলোচনা করিলেই আশ্চর্য হতে হয়। এগুলোর মধ্যে মানব শরীর, প্রাণ ও প্রাণী, রোগশত্রু, দেহ রক্ষক সৈন্য, জীবনের শক্তি, খাদ্য ও পুষ্টি, নিয়মানুবর্তিতা, সময় সচেতনতা, অল্প ভক্ষণ, ব্যায়াম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কেহ বা জিহ্বাতলে লালা যোগাইতেছে, কেহ বা বাষ্প সৃজন করিয়া পাকস্থলিতে রস নির্মাণ করিতেছে। মেডিকেলের বিভিন্ন শব্দের দিয়েছেন যুতসই নাম যেমনফ্যাগসাইটকে ডেকেছেন ভক্ষক কোষ নামে, প্যাথোজেনকে ব্যাধিবীজ নামে প্লাজমাকে বর্ণহীন রস নামে। উল্লেখিত এই মানবিক কর্মযজ্ঞের সহায়ক ছিলেন লিওনার্ড এলমহার্স্টের।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমন হাসে মন কাঁদে
পরবর্তী নিবন্ধমুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী স্মরণে