মীরসরাইয়ে সূর্যমুখীর ভালো ফলনে এবার কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। ভোজ্যতেলের আমদানিনির্ভরতা কমাতে ও কৃষকদের লাভবান করতে সরকারি প্রণোদনায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এবার সূর্যমুখী চাষ হয়েছে। মাঠজুড়ে ফুটে থাকা ফুল যেমন প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়েছে, তেমনই ভালো ফলনের মাধ্যমে আশার আলো দেখছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
অনুকূল আবহাওয়া ও ভালো পরিচর্যায় অধিকাংশ গাছে ফুল ফুটেছে। তবে মাঝে মধ্যে পোকামাকড়ের আক্রমণ ও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে ক্ষতির আশঙ্কা থাকায় কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত জমি পর্যবেক্ষণ ও কীটনাশক প্রয়োগের পরামর্শ দিচ্ছেন।
ওয়াহেদপুরের চাষি সমীর চন্দ্র দাশ বলেন, কৃষি অফিসের প্রণোদনা পেয়ে ৪০ শতক জমিতে ১৫ হাজার টাকা খরচ করে তিনি প্রায় ৫০ হাজার টাকার ফলন পেয়েছেন। কৃষক জুয়েল দাশ প্রথমবার চাষ করে ২০ হাজার টাকা বাড়তি লাভ ও পরিবারের তেলের জোগান নিশ্চিত করেছেন। হিঙ্গুলী ইউনিয়নের চাষি মো. ইকবাল হোসেন এ বছর দেড় একর জমিতে চাষ করেছেন এবং আগামীতে পরিধি বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন।
ইছাখালী ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা উপ–সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দিদারুল আহসান পাবেল জানান, চলতি বছর এই ইউনিয়নে ১ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। মীরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, উপজেলাজুড়ে এবার ১৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী আবাদ হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। তেলের পুষ্টিগুণ ও চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি।













