আইআইইউসির ভাইস–চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী বলেছেন, ইসলামের নির্দেশিত যাকাত ব্যবস্থার সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা গেলে সমাজ থেকে ভিক্ষাবৃত্তি অনেকাংশে কমিয়ে আনা এবং একসময় সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব। ইসলামে যেমন চুরির অপরাধে শাস্তির সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে, তেমনি যারা সম্পূর্ণ সুস্থ ও কর্মক্ষম হওয়া সত্ত্বেও ভিক্ষাবৃত্তিকে স্থায়ী পেশা হিসেবে গ্রহণ করে, তাদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত। তবে প্রকৃত অভাবগ্রস্ত, চরম দুর্দশাগ্রস্ত কিংবা আকস্মিক দুর্ঘটনায় অঙ্গহানি হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন।
তিনি গত সোমবার আইআইইউসির সেমিনার হলে সাইন্স অব হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ আয়োজিত ‘ইসলামে ভিক্ষাবৃত্তি: অনুমোদন, সীমা এবং প্রতিকার’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন শরীয়াহ অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মো. রশিদ জাহেদ। সভাপতিত্ব করেন সাইন্স অব হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সলিম উদ্দিন। ‘ইসলামে ভিক্ষাবৃত্তি: অনুমোদন, সীমা এবং প্রতিকার’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস–চ্যান্সেলর আরও বলেন, আমরা মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে পরিচয় দিলেও কর্মক্ষেত্র ও বাস্তব জীবনে ইসলামের আদর্শ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে পারছি না। কোরআনের শিক্ষা ও ইসলামের সামাজিক বিধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজের নানা সমস্যা দূর করা সম্ভব। প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন শরীয়াহ অনুষদের সাবেক ডীন প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হক নদভী এবং ইকোনমিকস অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. শরিফুল হক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাইন্স অব হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের লেকচারার শাইখুল আজম আবরার। সেমিনারে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












