মিয়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট ও তিনটি ফিশিং ট্রলারসহ ৩৩ জন পাচারকারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড। সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ–পশ্চিম সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। শনিবার দিনব্যাপী পরিচালিত যৌথ অভিযানে এসব ট্রলার ও সিমেন্ট জব্দ করা হয় এবং পাচারকারীদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন ভোলা জেলার হান্নান (৪৫), রিপন (২৩), আব্দুল হালিম (২৯), শিপন (২২), আব্দুল হালিম (২৮), শাহীন (১৯) ও রুবেল (২৫), লক্ষ্মীপুর জেলার জুয়েল (২০), রিয়াজ (২৬), সবুজ (২২), সোলেমান (৪১), আনোয়ার হোসেন (৪৩), শাহিন (২৮), আক্তার হোসেন (২২) ও হোসেন (৪০), কঙবাজার জেলার জমির উদ্দিন (৩৫), সাহাবুদ্দিন (৪৫), মনির (৩৫), রুবেল (২৬) ও ফারুক (২৬), বাঁশখালীর সরোয়ার (৩৪), চন্দনাইশের তৌহিদ (২২), সন্দ্বীপের শিপন (৫১) ও আলাউদ্দিন (২০), নগরীর আকবরশাহ এলাকার সোহাগ (৩৪), নাদিম (৩০), জনি (৩১), সাদ্দাম (২৪), মীরসরাইয়ের আব্দুল করিম (৪২), মাঈনউদ্দীন (৪৭) ও মোস্তাকিন আরাফাত (২২), কুমিল্লা জেলার শরিফ (২২) এবং সিলেটের ফাহাদ (২৩)।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ–পশ্চিম সমুদ্র এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি ফিশিং ট্রলারে থাকা মোট ২ হাজার ৪০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ করা হয়। এ সময় ট্রলারগুলোতে থাকা ৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তারা শুল্ক ও কর ফাঁকি দিয়ে হাতিয়া ও সন্দ্বীপের বিভিন্ন এলাকা থেকে সিমেন্ট সংগ্রহ করে অবৈধভাবে মিয়ানমারের একটি নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর কাছে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
তিনি জানান, এ ঘটনায় জড়িত মূল হোতাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। জব্দ করা সিমেন্ট, ব্যবহৃত তিনটি ট্রলার এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে সিমেন্ট বোঝাই তিনটি ট্রলারসহ ৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে কঙবাজার আদালতে পাঠানো হয়।












