নগরের বাকলিয়ায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ১৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গত রোববার দিবাগত রাতে সংঘর্ষের পর তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে যুবদলের সংগঠক পরিচয় দেওয়া মুরাদ ও জসিমের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। রোববার দিবাগত রাত ১০টার দিকে বাকলিয়া সৈয়দ শাহ রোডের মোরশেদ টাওয়ারের সামনে পাকা রাস্তার উপর দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সিএনজি টেঙির গ্লাস ভাঙচুর করে তারা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়কের ওপর দুই পক্ষ অবস্থান নেয়। একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে, ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এ সময় কয়েকটি গুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
সিএমপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পুলিশের টহল টিম তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত ১৫ জনকে আটক করে।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম আজাদীকে বলেন, মাদক নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে, একে অপরকে ইট–পাটকেল মেরেছে। ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্যদের আটক করার জন্য অভিযান চলমান আছে।
মুরাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান যুবদলের : সংঘর্ষে নাম আসা মুরাদ যুবদলের কেউ নয় উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীেেক আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় যুবদল। গতকাল সোমবার কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধরণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ আহবান জানানো হয়। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপির নির্দেশনানুযায়ী এ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়।
এতে মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করে বলা হয়, যুবদলে সংগঠক বলে কোনো পদ নেই। জনৈক মোহাম্মদ মুরাদ নামে এক ব্যক্তি নিজেকে চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়া থানা যুবদলের সংগঠক পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছে। সমপ্রতি অনলাইনে প্রচারকৃত বিভিন্ন ব্যানার–ফেস্টুনে তার এরকম অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণও যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির হাতে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো যাচ্ছে। তার দ্বারা সংঘটিত কোনো অপকর্মের দায়ভার যুবদল বহন করবে না।













