বর্তমান বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মশার প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধির ফলে ডেঙ্গু চিকনগুনিয়া ইত্যাদি একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে এবং মশা বাহিত রোগের আশঙ্কা দিনদিন বেড়েই চলেছে। যা জনজীবনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরুতেই দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ইতোমধ্যে বহু মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশে এক লক্ষেরও বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিল, যা পরিস্থিতির গভীরতা স্পষ্ট করে। বর্তমানে পানি জমে থাকা, অপরিষ্কার ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নালার অস্বাস্থ্যকর অবস্থা এবং নিয়মিত মশকনিধন কার্যক্রমের অভাব এই সমস্যাকে আরও তীব্র করে তুলছে। এছাড়া সামপ্রতিক বৃষ্টিতে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, কিউলেক্স মশার সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে, যা নগরবাসী ও দেশবাসীর জন্য অতিরিক্ত ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে করে শিশু, বয়স্ক ও সাধারণ জনগণ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।
বিগত সময়ে সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকদের কার্যকর উপস্থিতি না থাকায় মশকনিধনসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমগুলোতে ধারাবাহিকতা ও গতি ব্যাহত হয়েছে। ফলে সমস্যাটি ধীরে ধীরে জটিল আকার ধারণ করেছে। সিটি কর্পোরেশনের সক্রিয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ পরিস্থিতির পরিবর্তন আনা সম্ভব।
নুসরাত জাহান কিন্নরী
শিক্ষার্থী,
ইংরেজি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।














