দুরন্ত বৈশাখে, মাতি উৎসবে এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা আয়োজনে ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩’ কে বরণ করে নিলো সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ। বছরের প্রথম সূর্যোদয়ের সাথে সাথে আনন্দ কোলাহল আর উৎসবে মেতে উঠে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় আনন্দ শোভাযাত্রা, মেলা, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে গান, নাচ, অভিনয়, আবৃত্তি সহ সাংস্কৃতিক উৎসব ও প্রতিযোগিতা।
সাউদার্ন বৈশাখী উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য(ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান। উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহান, রেজিস্ট্রার এ এফ এম মোদাচ্ছের আলী, বৈশাখী উৎসব আয়োজক কমিটির আহবায়ক মোহাম্মদ জমির উদ্দিন, সদস্য সচিব সাইফুল্লাহ চৌধুরী বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষকবৃন্দ,কর্মকর্তা—কর্মচারীসহ শিক্ষার্থীরা।
এবারের মেলায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ১২টি স্টল অংশ নেয়। স্টলগুলোতে স্থান পায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবার ও পণ্যসামগ্রী। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হরেক রকমের গ্রামীণ পিঠা ও বিভিন্ন ধরনের পণ্য সামগ্রী। সেরা তিনটি স্টল ও তিনটি বিভাগকে তাদের সুন্দর পরিবেশনার জন্য পুরস্কৃত করা হয়। সেরা স্টলের পুরস্কার লাভ করে ফার্মেসি বিভাগ, দ্বিতীয় ইসলামিক স্টাডিজ ও তৃতীয় হয়েছে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে ইংরেজি বিভাগ, দ্বিতীয় ব্যবসায় প্রশাসন ও তৃতীয় স্থান লাভ করে ফার্মেসি বিভাগ।

নববর্ষ উপলক্ষে সকাল থেকেই পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ জুড়ে সাজ সাজ রব। দিনটা ছিলো অন্যান্য দিনের চেয়ে একেবারে ভিন্ন। রঙিন সাজে শিক্ষার্থীদের নাচ গানের ছন্দে ছন্দে ক্যাম্পাস হয়ে ওঠে বর্ণিল রঙে রঙিন। বাসন্তি রংয়ের বাহারি শাড়ি আর খোপা ছড়ানো বেলি ফুলের মালা আর পাজামা পাঞ্জাবি তরুণ তরুণীরা যেন চির চেনা বাঙালিত্বকে নিজের মধ্যে বরণ করে নেয়। সবার কন্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো । সকলেরই কথা আজ সব দুঃখ, সব গ্লানি, সব না পাওয়ার যন্ত্রণা মুছে যাক। আজ থেকে শুরু হোক নতুন দিনের, নতুন স্বপ্নের, নতুন বছরের।
‘সুখী সমৃদ্ধ আগামী এবং শিক্ষার আলোয় আলোকিত হোক জাতি’ এ প্রত্যাশা নিয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।














