নজরুলের রচনা দেশের অনিবার্য বিপ্লবের প্রেরণা

ক্বণন’র নজরুল জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তারা

| রবিবার , ২৪ মে, ২০২৬ at ১০:২০ পূর্বাহ্ণ

দেশের মহত্তর বিপ্লবগুলোতে তরুণরা নজরুলকেই কণ্ঠে ধারণ করেছে। জুলাই বিপ্লবেও তরুণদের লাখো কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে নজরুলের কবিতা ও গান। নজরুলই প্রথম বাংলা সাহিত্যে এবং এর শৈল্পিক রূপায়নে বিপ্লবী চেতনার মশাল জ্বালিয়েছিলেন। নজরুলের সৃষ্টি দেশের অনিবার্য বিপ্লবের প্রেরণা। আর তাই এই অনুষ্ঠানের যথার্থ নামকরণ ‘যুগে যুগে আসি মহাবিপ্লব হেতু’।

গতকাল শনিবার এই কথামালা দিয়ে শুরু হয় ক্বণন শুদ্ধতম আবৃত্তি অঙ্গন আয়োজিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ‘যুগে যুগে আসি মহাবিপ্লব হেতু’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন। ক্বণন সভাপতি আবৃত্তি শিল্পের শিক্ষক মোসতাক খন্দকারের সভাপতিত্বে চেরাগি পাহাড়স্থ আজাদী মিলনায়তনে এ আয়োজনে বক্তব্য দেন, ভাটিয়ারি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলার শিক্ষক শুভ্রা চক্রবর্তী ও চট্টগ্রাম কলেজের বাংলা বিভাগের ছাত্রী, ক্বণন সদস্য কানিজ ফাতেমা নূরী। সঞ্চালনায় ছিলেন ক্বণন সদস্য মুনয়িম আসরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নজরুল আমাদের অহংকার। সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে তাঁকে মূল্যায়ন করতে হবে। নজরুলকে নিছক বিদ্রোহের কবি বলে সীমাবদ্ধ করা উচিত নয়। তিনি প্রেমেরও কবি, বিরহেরও কবি। নজরুলকে কেবল জাতীয় কবি হিসাবে স্বীকৃতি দেয়ার মধ্যে দায়িত্ব সীমাবদ্ধ না রেখে তাঁর সমগ্র সৃজনশীলতাকে সংরক্ষণ ও প্রচার এবং নজরুল সাহিত্যের বাচিক রূপকে সমপ্রসারিত করার উপর বক্তারা গুরুত্বারোপ করেন। জাতীয় কবিকে নিবেদিত কথামালা এবং নজরুলের রচনাসম্ভার থেকে আবৃত্তি নিয়ে আয়োজিত ‘যুগে যুগে আসি মহাবিপ্লব হেতু’ শীর্ষক এই জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশনায় ছিল ক্বণন সদস্য প্রেমা চৌধুরী, মুনয়িম আসরা, সাবিহা শশী, মহিউদ্দিন মারুফ, কানিজ ফাতেমা নূরি, ফাহিমা, সাবিহা, মেহজাবিন, নওশিন, রেঁনেসা, সমৃদ্ধ, জারিফ, ফাবিহা, মুনতাহা, রুজাইনা, অর্দ্রি, তোহফা ও আহনাফ এবং নজরুলের গান পরিবেশন করে সংগীত শিল্পী প্রেমা চৌধুরী ও রাফিজুল ইসলাম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ‘জ্ঞানার্জনের জন্য ছাত্র হতে হবে সারাজীবন’
পরবর্তী নিবন্ধ‘চট্টগ্রামে প্রবন্ধ-সাহিত্যের ধারা’ শীর্ষক সেমিনার ১৭ জুলাই