চট্টগ্রামে মশার উপদ্রব অত্যধিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মশার জ্বালায় কোনো কাজকর্ম করা যাচ্ছে না। ঘরে বা বাইরে বসে দুদণ্ড কথা বলার সুযোগ নেই। দিনে রাতে হরহামেশাই হুল ফুটিয়ে আঘাত করছে। মশার কয়েল স্প্রে ইলেকট্রিক ব্যাট, বাষ্প ব্যবহার করেও তেমন ফল পাওয়া যাচ্ছে না বরং হাঁচি কাশি চোখ জ্বালায় মানুষ দুর্বল হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে নালা নর্দমা অপরিষ্কার থাকায় মশার প্রজনন বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে সিটি করপোরেশনের পরিষ্কার তৎপরতা ধীর গতি সম্পন্ন, মাঝে মধ্যে ফগার মেশিনের ধোঁয়া ছিটালেও মশা কমার তেমন কার্যকারিতা দেখা যাচ্ছে না। অন্যদিকে জনগণ অসচেতন – এরা নালাকে ডাস্টবিন মনে করে নালা নর্দমায় ময়লা ফেলে যাচ্ছে। সবাই সচেতন না হলে মশা নির্মূল করা সম্ভব হবে না। সাধারণ নাগরিকরা যেন নিজ নিজ বাসা বাড়ির আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার ভূমিকা পালন করেন। এই মুহূর্তে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় মশা মারার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। সর্বোপরি প্রত্যকের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মশার উপদ্রব রোধ করা সম্ভব হবে, না হয় ডেঙ্গু চিকুনগুনিয়া ফাইলেরিয়া পীতজ্বরে আক্রান্তের প্রকোপ বাড়তেই থাকবে।
সুকান্ত দেবনাথ
নাসিরাবাদ, চট্টগ্রাম।













