বিশেষ নিলামে তোলা হয়েছে ফ্রেব্রিক্সসহ ৩৭ লট পণ্য

চট্টগ্রাম কাস্টমস । দরপত্র গ্রহণ আজ বিকেল ৩টা পর্যন্ত

জাহেদুল কবির | বুধবার , ২৪ জুন, ২০২৬ at ৫:৪৯ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম কাস্টমসে বিভিন্ন ধরনের ফেব্রিক্সসহ ৩৭ লট পণ্য বিশেষ অনলাইন নিলামে তোলা হয়েছে। আজ বিকেল ৩টা পর্যন্ত নিলামের প্রস্তাবিত দর গ্রহণ করা হবে। এর আগে গত ২ জুন সকাল ৯টা থেকে দরপত্র গ্রহণ শুরু হয়।

কাস্টমস কর্তারা বলছেন, বন্দরে দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে থাকা অখালাসকৃত কন্টেনার খালি করার লক্ষ্যে নিয়মিত নিলাম আয়োজন করা হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশ্য নিলামও বাড়ানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখা সূত্রে জানা গেছে, ৩৭ লট পণ্যের মধ্যে রয়েছে ফেব্রিক্স, হার্ড উড ক্র্যাফ্‌ট, ভেজিটেবল কাটার, কি রিং, মেটাল হ্যাংগার, ব্রিকস, নাইফ, রাবার চিপস, ইউপিভিসি ফিটিংস, ওয়াটার পাইপ পিভিসি, সুইমিং পুল পাম্প, ফায়ার এলার্ম কন্ট্রোল প্যানেল, রিলিফ গুডস, কোটেড ডুপ্লেক্স বোর্ড, বিয়ারিং, সার্জিক্যাল মাস্ক ও চেস্ট ফ্রিজার।

জানা গেছে, পচনশীল পণ্যের দ্রুত নিলাম আয়োজনের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) স্থায়ী আদেশ জারি করে। কিন্তু চট্টগ্রাম কাস্টমসের কর্মকর্তাদের অনীহার কারণে সেই আদেশ বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে বিগত সময়ে অনেক খাদ্যপণ্য পচে যাওয়ায় তা মাটিতে পুঁতে ফেলতে হয়েছে। এতে সরকার রাজস্ব পাওয়া দূরে থাক, উল্টো পণ্য ধ্বংসে অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। তবে সামপ্রতিক সময়ে পচনশীল পণ্যসহ নিলামযোগ্য পণ্যের নিলাম দ্রুততার সাথে কার্যকর করছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, নিলাম চট্টগ্রাম কাস্টমসের একটি ধারাবাহিক কার্যক্রম। এনবিআরের নির্দেশনা মতে আমরা নিলাম কাজের গতি বাড়িয়েছি। এতে সরকার অখালাসকৃত পণ্য বিক্রি করে রাজস্ব আয় করছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ৩৭ লট পণ্য অনলাইন নিলামে তোলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আমদানিকৃত পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে আমদানিকারককে সরবরাহ নিতে হয়। এই সময়ের মধ্যে কোনো আমদানিকারক পণ্য সরবরাহ না নিলে তাকে নোটিশ দেয় কাস্টমস। নোটিশ দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এই পণ্য সরবরাহ না নিলে তা নিলামে তুলতে পারে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এছাড়া মিথ্যা ঘোষণায় জব্দ পণ্যও নিলামে তোলা যায়। সর্বমোট ৪৫ দিনের মধ্যে নিলামে তোলার এই নিয়ম দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর করতে পারেনি বন্দর ও কাস্টমস। এতে করে বন্দরের ইয়ার্ডে এসব কন্টেনার পড়ে থাকে। আমদানি পণ্য যথাসময়ে খালাস না নেয়ায় বন্দরগুলোতে প্রায় কন্টেনার জট লাগে। দিনের পর দিন কন্টেনার পড়ে থাকলেও বন্দর কর্তৃপক্ষও চার্জ পায় না।

পূর্ববর্তী নিবন্ধডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে আলোচনা ও চুক্তি প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি
পরবর্তী নিবন্ধবান্দরবান ভ্রমণে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই : জেলা প্রশাসন