বিভাবরী সংগীতালয়ের নজরুল স্মরণানুষ্ঠান

| সোমবার , ২০ জুলাই, ২০২৬ at ৭:৪১ পূর্বাহ্ণ

বিভাবরী সংগীতালয়ের শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠানে কথামালায় বক্তারা বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের অসামপ্রদায়িক চেতনা, মানবতা, সাম্য, প্রেম ও দ্রোহের চিরন্তন প্রতীক। সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশে নজরুলচর্চার বিকল্প নেই। নজরুলচর্চা মানবিক ও অসামপ্রদায়িক সমাজ গঠনে সহায়ক। তাঁর গান, কবিতা ও সুর শুধু বাংলা সাহিত্য ও সংগীতকে সমৃদ্ধ করেনি, মানুষের হৃদয়ে স্বাধীনতা, ন্যায়, ভালোবাসা ও সমপ্রীতির বীজও বপন করেছে। নজরুলচর্চা বাঙালির সাংস্কৃতিক চেতনা জাগ্রত রাখে। তাঁর সৃষ্টিকর্ম যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও জোগাবে। গত ১৭ জুলাই দক্ষিণ মধ্যম হালিশহরস্থ উদয়ন সংঘ প্রাঙ্গণে বিভাবরী সংগীতালয় আয়োজনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে এক বিশেষ শাস্ত্রীয় ও উপশাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠানে কথামালায় বক্তারা একথা বলেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের নজরুল সংগীত শিল্পী অধ্যাপক পিন্টু ঘোষ, উদ্বোধক ছিলেন উদয়ন সংঘের সভাপতি মতিলাল দে, বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাংবাদিক যীশু সেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অনুষ্ঠান উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব জয় দে। বাচিক শিল্পী পার্থ প্রতীম মহাজনের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিভাবরী সংগীতালয় প্রশিক্ষক পুষ্পিতা দে। বক্তব্য রাখেন সুদর্শন দে, রঞ্জন দে ডেনী, হীরা লাল বনিক, সবুজ দে রতন প্রমুখ। শেষে সংগীতানুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে বিভাবরী সংগীতালয়ের শিক্ষার্থীরা সংগীত পরিবেশনে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা, উত্তরীয় ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। সার্বিক সহযোগিতা ছিলেন উদয়ন সংঘ। নতুন প্রজন্মের মধ্যে সাংস্কৃতিক চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধইংল্যান্ড তৃতীয়, ফ্রান্স চতুর্থ
পরবর্তী নিবন্ধদীর্ঘ বিরতি ভেঙে ফিরছেন সুমাইয়া শিমু