৩ বান্ধবী বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা বলে ইউনিফর্ম পড়ে বের হয়েছিল বাড়ি থেকে। কিন্তু বিদ্যালয়ে না গিয়ে তারা ঘুরতে যাচ্ছিল পার্কে। এজন্য তারা ব্যাগে নিয়েছিল কিছু জামা-কাপড় ও দুপুরের কিছু খাবার। কিন্তু তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে গেল ইউএনও’র হস্তক্ষেপে।
৩ বান্ধবীকে পাঠানো হলো স্ব-স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ৩ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে চন্দনাইশের কাঞ্চনাবাদ এলাকার এ ঘটনা বেশ সাড়া জাগিয়েছে স্থানীয় জনগণের মধ্যে।
স্থানীয় অভিভাবকরা ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইউএনওকে। বিষয়টি অন্যান্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতন করবে মনে করেন তারা।
জানা যায়, চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবদুর রহমান বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাম্প্রতিক বন্যায় আশ্রয়ণের ঘরের ক্ষয়ক্ষতি দেখে নিজ অফিসে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে সড়কের উপর স্কুল ড্রেস পরিহিত অবস্থায় ৩ শিক্ষার্থীকে দাড়িয়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হলে গাড়ি থামিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন।
এ সময় তারা স্থানীয় একটি পার্কে ঘুরতে যাওয়ার কথা শিকার করে। পরবর্তীতে ইউএনও স্থানীয় মহিলা মেম্বারের সহযোগিতায় তাদেরকে কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসা হয় এবং ডাকা হয় তাদের অভিভাবক এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের।
এ সময় সবার উপস্থিতিতে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়ার নিশ্চিতয়তা প্রদান করলে ৩ শিক্ষার্থীকে তাদের অভিভাবক এবং শিক্ষকের নিকট হতে মুছলেকা নিয়ে পুনরায় তাদের বিদ্যালয়ে ফেরত পাঠানো হয়।
চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুর রহমান জানান, বিদ্যালয় ফাঁকি দিয়ে পার্কে ঘুরতে যাওয়া তারা কোন অপরাধই মনে করেনি। অথচ ১২ হতে ১৫ বছর বয়সি এই শিক্ষার্থীদের নির্জন পার্কে ঘুরতে যাওয়াটাই তাদের জীবনে দুর্ঘটনা বয়ে আনতে পারতো। তিনি শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও শিক্ষকদের এ বিষয়ে আরো সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানান।












