তিন পার্বত্য জেলার সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি–সম্প্রীতি ও জনকল্যাণে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা। গতকাল বুধবার দুপুরে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং এর আমন্ত্রণে তিন পরিষদের চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাতের পর হলিডে ইন রিসোর্টে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন চেয়ারম্যানরা। এসময় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা, বান্দরবান জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লুসাই মং, জসিম উদ্দিন তুষার, চনুমং মারমাসহ তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা বলেন, তিন পার্বত্য জেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, পর্যটন, আর্থ–সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়। শিক্ষক নিয়োগসহ সবগুলো নিয়োগে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার বলেন, শুধু চেয়ারম্যান নয়, মাম্যাচিং একজন কেন্দ্রীয় নেত্রী। পাহাড়ের লড়াকু এ সৈনিকের আমন্ত্রণে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের মধ্যে হৃদ্যতার, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরির জন্য আমরা বান্দরবান এসেছি। পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এজন্য পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোকে জনকল্যাণকর, জনবান্ধব ও জনমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে একযোগে কাজ করতে আজকের সৌজন্য স্বাক্ষাতটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের সহযোগিতা পরামর্শে পরিষদ কাজ করে যাবে।
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেগুলো সম্মেলিতভাবে মিলেমিশে সমাধানের চেষ্টা করবো। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেয়া হবে।












