নিজের চিংড়ি মহালের ইজারা বাতিলের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। গতকাল বুধবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় চিংড়িমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি এবং জাফর আলম এমপি এবং ভূমি সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সভায় চিংড়ি মহালের রাজস্ব প্রদানে হয়রানি রোধে ভূমিমন্ত্রী অনলাইন ব্যবস্থাপনা চালু এবং চিংড়ি মহালের ইজারা গ্রহীতাদের দুর্ভোগ কমাতে রাজস্ব জমা প্রদানের সঙ্গে সঙ্গে ডিসিআর দিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্যেও নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়াও একই পরিবার থেকে একাধিক সদস্য যেন একই সঙ্গে চিংড়ি মহালের ইজারা না পান, সে ব্যাপারে যাচাইয়ের জন্য অটোমেটেড সিস্টেম তৈরি করারও নির্দেশ দেন ভূমিমন্ত্রী। সভায় চিংড়ি-মহাল নীতিমালা আধুনিকায়নসহ এনআইডি ব্যতীত চিংড়ি-মহাল ইজারা না দেওয়ার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খবর বাসসের।
বিভিন্ন জেলার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ৪৪টি চিংড়ি মহালের ইজারার প্রস্তাব সভায় উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরার ১৩৫ একর আয়তনের চিংড়িমহাল চিংড়ি চাষের অনুপযুক্ত হওয়ায় তা জলমহালে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ প্রদান করা হয়। সারা দেশে প্রায় ১ হাজার ৫৯৬টি চিংড়ি মহাল আছে যা কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের উৎস। সভায় ভূমি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, কক্সবাজার ও সাতক্ষীরা জেলার মাঠ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং চিংড়ি চাষ ও ব্যবসায় সম্পৃক্ত ব্যক্তিসহ বিভিন্ন অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।







