নগরে বর্ষা নেমেছিল গানে, আবেগে কবিতায় ও নৃত্যের ছন্দে

আজাদী ডেস্ক | মঙ্গলবার , ১৬ জুন, ২০২৬ at ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ

প্রকৃতিতে এসেছে বর্ষা। গতকাল পহেলা আষাঢ় শুদ্ধতার ঋতু বর্ষাকে আবাহন জানিয়েছে নগরবাসী। আয়োজন করা হয় নানা অনুষ্ঠানের।

তারুণ্যের উচ্ছ্বাস : চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে তারুণ্যের বর্ষাবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বিকেলে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে আবৃত্তি, সংগীত ও নৃত্যের পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে মিলনায়তন। অনুষ্ঠান উদ্বোধন সংগীতশিল্পী রিয়াজ ওয়ায়েজ। অতিথি ছিলেন নাট্যজন সজল চৌধুরী ও নৃত্যশিল্পী অনন্য বড়ুয়া। আবৃত্তিশিল্পী কারিশমা কবির ঐশীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন তারুণ্যের উচ্ছ্বাস সভাপতি ভাগ্যধন বড়ুয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন, লিটু তলাপাত্র মিঠু। অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বাংলা সংস্কৃতি, ঋতুভিত্তিক উৎসব এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে শিল্পসাহিত্যচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন। উদ্বোধনী পর্ব শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। প্রথম পর্বে আবৃত্তি পরিবেশন করে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস। সংগীত পরিবেশন করে মূর্চ্ছনা সঙ্গীত একাডেমি এবং নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্য নিকেতন। পরবর্তী পর্বগুলোতে আবৃত্তি পরিবেশন করেন রাজেশ্বরী চৌধুরী, শর্মিলি বণিক, সুস্মিতা দাশ, জুয়েনা আফসানা ও তন্বী ঘোষ নন্দী। সংগীত পরিবেশন করে নজরুল সঙ্গীত শিল্পী সংস্থা, সুরানন্দ ছোটদের সঙ্গীত জগৎ, অদিতি সঙ্গীত নিকেতন, অভ্যুদয় সঙ্গীত অঙ্গন, সুরধারা এবং উদীচী। নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যরূপ, চারুতা নৃত্যকলা একাডেমি, নৃত্যময়ী একাডেমি, মাধুরী নৃত্যকলা একাডেমি এবং সৃষ্টি কালচারাল ইনস্টিটিউট।

ত্রিতরঙ্গ : গান, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বর্ষাবরণ উৎসবের আয়োজন করে ত্রিতরঙ্গ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় কোরাস পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

নৃত্য পরিবেশন করেন নৃত্যভূমির জাকির তমাল, নৃত্যরূপ এবং সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ ডান্স একাডেমি। আবৃত্তি পরিবেশন করেন শেলী বড়ুয়া, শাহাদাৎ হোসেন, লিপি সেন, সুজয় দে, জুহি সেনগুপ্তা, জোবাইরুল ইসলাম, বিপ্লব কুমার শীল ও ত্রয়ী দে, সংগীত পরিষদ আবৃত্তি বিভাগ, প্রমা, আফরোজা চৌধুরী মুক্তা, রাশেদ খান মেনন, সানজিদা, দেবাশীষ রুদ্র ও লাবণ্য মুৎসুদ্দি। আমন্ত্রিত কবি ওমর কায়সার ও সারাফ নাওয়ার কবিতা পাঠ করেন।

সংগীত পরিবেশন করেন শম্পা চৌধুরী, নটরাজ সঙ্গীত একাডেমি, গৌরী নন্দী, রক্তকরবী, সংগীত পরিষদ গিটার বিভাগ, অনন্যা সংগীত নিকেতন এবং হাসান জাহাঙ্গীর।

পূর্ববর্তী নিবন্ধডাচদের রুখে দিল জাপান
পরবর্তী নিবন্ধতলবে তলবে জেরবার তৃণমূল সম্পাদক অভিষেক