লিটনের অনবদ্য সেঞ্চুরি বাংলাদেশকে প্রথম দিন স্বস্তি দিয়েছে। ২৫৭ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় দিন শুরু করছে পাকিস্তান। বাংলাদেশের লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব পাকিস্তানকে অলআউট করে কিছু রান হলেও লিড নেওয়া। ম্যাচ শেষে লিটনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল দ্বিতীয় দিনের পরিকল্পনার কথা। লিটন জানান, ‘আমরা চেষ্টা করব যে রানগুলো দিয়েছি, সেখান থেকে যেন লিড নিতে পারি। সিলেটের উইকেটটা এখন অনেকটাই ব্যাটিং–ফ্রেন্ডলি হয়ে গেছে।
কন্ডিশনটা যদি এমন না হতো, হয়তো প্রথম দিন থেকেই ব্যাটিং সহজ হয়ে যেত। এখন দেখা যাক, সকালে যদি আবার ওয়েদারটা মেঘলা থাকে এবং আমরা যদি বোলিং করি, তাহলে ওই ১০টা ওভার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেখান থেকে যদি এক–দুইটা উইকেট নিতে পারি, তাহলে ওরা ব্যাকফুটে চলে যাবে।’ যদিও পুরো বিষয়টাই নির্ভর করছে বোলারদের ওপর। সেঞ্চুরি করা লিটন বোলারদের জন্য পরামর্শও দিয়ে রাখলেন, ‘বোলারদের দায়িত্বটা অনেক বেশি। একটা প্লাস পয়েন্ট হচ্ছে যে আউটফিল্ডটা খুবই স্লো, বল অনেক জোরে মারতে লাগে বাউন্ডারি হওয়ার জন্য। এটা একটা পজিটিভ। কিন্তু সকালে যে উইকেট ছিল, সে সাপেক্ষে উইকেটটা আরও ভালো হয়ে গেছে। তাই বোলারদের অ্যাকুরেসি আরও ভালো করতে হবে।’ ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছে ২৮৭। দিনটিকে একেবারে খারাপ বলতে নারাজ উইকেট কিপার এই ব্যাটার, ‘আমার কাছে মনে হয় ওভারঅল দিন শেষে খুবই ভালো। কারণ দেখেন, টসটা অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর ছিল আজকের দিনের জন্য। উইকেটে শুরুতে ব্যাটিং করা খুব একটা সহজ ছিল না। তবে এখন উইকেট আরও ভালো হয়েছে।
আমাদের চ্যালেঞ্জও আরও বেড়েছে। বোলারদের আরও ভালো বোলিং করতে হবে। আপনি যদি স্টিল ভালো জায়গায় বল করে যান অনেক লম্বা সময়ের জন্য, হয়তো তারা ভুল করবে এবং সেই ভুলগুলো আমাদের কাজে আসবে।’ সিলেট টেস্টে বাংলাদেশও টসে জিতলে আগে ফিল্ডিং নিতো বলে জানালেন লিটন। কেননা বাংলাদেশ দলে আছে তাসকিন–নাহিদের মতো গতিময় পেসার। এক প্রশ্নের জবাবে লিটন বলেন, ‘অলআউট করে দিতে পারত কি না, এটা বলা খুব মুশকিল। তারাও (পাকিস্তান) খেলতে এসেছে। কিন্তু যে কন্ডিশন ছিল, যেকোনো টিমই আগে বোলিং নিত।’











