তিন কারিগরের হাতে চার মাসে বোনা জামদানিতে জয়া আহসান

| রবিবার , ৯ আগস্ট, ২০২৬ at ১১:২২ পূর্বাহ্ণ

অভিনেত্রী জয়া আহসানের আকর্ষণ বলে বোঝানো দায়। ভক্তরা অপেক্ষায় থাকেন তার নতুন নতুন লুকের জন্য। কারণ, জয়া আহসানের লুক মানেই যেন নতুন কোনো চমক। ওয়েস্টার্ন পোশাক হোক কিংবা শাড়িপ্রতিটি সাজেই স্বতন্ত্র আবেদন নিয়ে ধরা দেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। খবর বাংলানিউজের।

বয়স যেন তার সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্বকে আরও পরিণত করেছে। সাজে থাকে না বাড়তি আড়ম্বর, অথচ ক্যামেরার সামনে এলেই অনায়াসে কেড়ে নেন সব আলো। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। জাতীয় তাঁত দিবসে গত ৭ আগস্ট ঢাকাই জামদানি পরেন জয়া আহসান। শনিবার সামাজিকমাধ্যমে সেই ছবি প্রকাশ করে মুগ্ধতা ছড়ালেন অভিনেত্রী। গাঢ় রঙের নান্দনিক জামদানিতে জয়ার এবারের সাজে ফুটে উঠেছে বাঙালিয়ানার সৌন্দর্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন। শাড়ির সঙ্গে মানানসই গয়না, হাতে ছোট ব্যাগ আর সাবলীল অভিব্যক্তিসব মিলিয়ে তার লুক যেন আরও একবার মনে করিয়ে দিল, শাড়িতে জয়ার আবেদন কতটা অনন্য। তবে এবারের সাজের বিশেষত্ব শুধু জয়ার সৌন্দর্যে নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দীর্ঘ চার মাসের শ্রম আর তিনজন কারিগরের নিপুণ হাতের গল্প। নিজের পরনের জামদানির গল্প জানিয়ে এক পোস্টে জয়া লেখেন, জাতীয় তাঁত দিবসে আমি পরেছি একটি ঢাকাই জামদানি, যা তিনজন কারিগর মিলে চার মাস ধরে বুনেছেন। চার মাসের ধৈর্য, দক্ষতা আর অসংখ্য ঘণ্টার নিখুঁত হাতের কাজ মিশে আছে শাড়িটির প্রতিটি সুতায়। শুধু নিজের সাজের প্রশংসা কিংবা শাড়ির সৌন্দর্য তুলে ধরেই থেমে থাকেননি জয়া। বরং একটি জামদানি তৈরির পেছনে থাকা কারিগরদের শ্রম, জীবন ও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে চলা ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধশাবনূরকে বিয়ের দাবি যুবকের, নায়িকা বললেন ‘স্বপ্নের বাসর’ হয়েছিল
পরবর্তী নিবন্ধথাইল্যান্ডে অস্ত্র আইন কঠোর হচ্ছে