মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফনান জামাল প্রীতির খুনিদের দ্রুত ধরা হবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ঘটনায় নেপথ্যের ব্যক্তিসহ কেউ ছাড় পাবে না। রাজধানীর প্রকাশ্য সড়কে এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ধানমণ্ডির বাসায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। খবর বিডিনিউজের।
হত্যার রহস্য উন্মোচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় জড়িতরা যেই হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। নেপথ্যে থেকে যদি কেউ কলকাঠি নেড়ে থাকে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিবি ও র্যাব তদন্ত শুরু করেছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে শাহজাহানপুরের আমতলী এলাকায় মানামা ভবনের সামনে প্রকাশ্য সড়কে মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপুকে (৫৪) গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের শিকার টিপুর শরীরে গুলির ১৩টি ক্ষত পাওয়ার কথা বলা হয়েছে পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে।
বৃহস্পতিবার রাতে ওই হামলায় টিপু ছাড়াও নিহত হন বদরুন্নেছা সরকারী মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী সামিয়া আফনান প্রীতি। আহত হন টিপুর গাড়ি চালক মুন্না। প্রীতির শরীরে দুটি গোলাকার ক্ষতের কথা সুরতহালে উল্লেখ করেছেন শাহজাহানপুর থানার পরিদর্শক ঠাকুর দাস মালো।
টিপু মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদেরও সদস্য ছিলেন। প্রকাশ্যে রাত ১০টার দিকে তার গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে এলোপাতাড়ি গুলি করে হেলমেট পরা এক অস্ত্রধারী।
সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতের স্ত্রী, সন্তান, নিকট আত্মীয়, ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী’ এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে টিপু গুরুতর জখম হন এবং হাসপাতালে মারা যান।
টিপুর স্ত্রী ফারজানা ইসলাম ডলি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নারী কাউন্সিলর। শুক্রবার সকালে তিনি শাহজাহানপুর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, একই ঘটনায় গুলিতে কলেজ ছাত্রী প্রীতি হত্যার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।












