জলাবদ্ধতা নিরসনে চসিকের ৬ পৃথক কমিটি গঠন

আজাদী প্রতিবেদন | মঙ্গলবার , ৫ মে, ২০২৬ at ৬:১১ পূর্বাহ্ণ

নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করার লক্ষ্যে কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ৬টি পৃথক কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। গতকাল সোমবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব কমিটি গঠন করা হয়। চসিক সূত্রে জানা গেছে, কমিটিগুলোর সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করবেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ও প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান।

গঠিত কমিটিগুলো হলহিজরা খালের জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীনউল ইসলাম চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জোবাইদা আক্তার, নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজানা মুক্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ শাফকাত আমিন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের জোন কর্মকর্তা কল্লোল দাশ। জামাল খান খাল ও হিজরা খালের জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীনউল ইসলাম চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জোবাইদা আক্তার, নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজানা মুক্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ শাফকাত আমিন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের জোন কর্মকর্তা কল্লোল দাশ। রামপুর খালের জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, নির্বাহী প্রকৌশলী তাসমিয়া তাহসিন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের জোন কর্মকর্তা আলী আকবর।

গুলজার খালের জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা রক্তিম চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান, জোন কর্মকর্তা জাহেদুল্লাহ রাশেদ। মনোহরদি খালের জন্য প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ।

চান্দগাঁওমুরাদপুর এলাকার জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) ফরহাদুল আলম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মৌমিতা দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাতুল করিম, মাহমুদ শাফকাত আমিন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের জোন কর্মকর্তা আবু তাহের। ওয়াসার সাথে সমন্বয় সাধন করবেন চসিকের সচিব মো. আশরাফুল আমিন এবং প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান। জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রকৌশলগত সার্বিক কার্যক্রমে পরামর্শ দিবেন প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।

এদিকে গতকালকের সভায় বিভিন্ন খাল, ড্রেন, কালভার্ট, সংযোগ নালা, সড়ক ও জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন মেয়র। তিনি বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে এখন আর কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, কোন খাল বা ড্রেন বন্ধ রয়েছে, কোথায় বাঁধ বা নির্মাণসামগ্রী পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করছ্তেএসব দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে।

সভায় মেয়র বিশেষভাবে চাকতাই, মুরাদপুর, রামপুরা খাল, আজম পাহাড় খাল, গাউছিয়া রোড, রুপসা বেকারি এলাকা, গুলজারখাল ও মাদারবাড়ি এলাকার জলাবদ্ধতার বিষয় তুলে ধরেন। তিনি জানান, অনেক স্থানে খাল ও ড্রেনে নির্মাণসামগ্রী পড়ে থাকায় পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এসব দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেন তিনি। সভায় পরিচ্ছন্ন বিভাগের কার্যক্রম নিয়েও কঠোর অবস্থান নেন মেয়র। তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে সেবকদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করা হবে। যারা ঠিকমতো কাজ করে না্ততাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমাদের কাজ দরকার। শহর সুন্দর রাখতে হলে মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য ৩ হাজার রেইনকোট সরবরাহ করা হবে এবং প্রয়োজনে নতুন কর্মী নিয়োগও দেওয়া হবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধফাঁকির ৫৩২ কোটি টাকা আদায় করেছে আয়কর গোয়েন্দা
পরবর্তী নিবন্ধপ্রদীপসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বাদীর নারাজি