চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে গিয়ে হুমকি, শারীরিকভাবে হেনস্তা ও জোরপূর্বক বক্তব্য নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত নেতা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক আল মামুন। অভিযোগকারী রায়হান বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবরক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বসে থাকা অবস্থায় আল মামুন ও তার ৫–৬ জন সহযোগী তাকে পরিচয় নেওয়ার কথা বলে ডেকে ক্যাম্পাসের বাইরে ব্রিকফিল্ড এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, হুমকি দেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ভুক্তভোগীর দাবি, কয়েকদিন আগে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের একাংশ ও ছাত্রদল নেতা আল মামুনের মধ্যে সংঘটিত হাতাহাতির ঘটনার জের ধরেই তাকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে সংঘর্ষের ঘটনার সঙ্গে তাকে সম্পৃক্ত প্রমাণের চেষ্টা করা হয়। একই সঙ্গে তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা এবং জোরপূর্বক ভিডিও বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আল মামুন বলেন, গত ৩০ জুন আমাকে স্টেশনে কয়েকজন মিলে মারধর করে। সেখানে রায়হানও ছিল। আমিসহ কয়েকজন আজ (গতকাল) রায়হানকে সেন্ট্রাল ফিল্ডের ওখানে দেখি এবং তাকে ওইদিনের ঘটনার জন্য জিজ্ঞেস করি মাত্র। তবে তাকে মারধর বা হুমকি–ধামকির বিষয়টি ‘মিথ্যা’। এ ছাড়া জোরপূর্বক ভিডিও করার যে অভিযোগ করেছে সেটাও ‘মিথ্যা’। এ সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ‘সে আমাকে ফোনে বিষয়টি জানিয়েছে। অভিযোগপত্র দিয়েছে। বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’











