কক্সবাজারের চকরিয়া সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনভূমির ইজারা দেওয়া জমি পুনরুদ্ধারে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন ‘অসাংবিধানিক, বেআইনি ও জনস্বার্থবিরোধী’ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাই কোর্ট। ‘জনস্বার্থে’ বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) এক রিট আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আসিফ হাসানের বেঞ্চ রোববার এ রুল জারি করে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ১৩ বিবাদীকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বেলার পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আশরাফ আলী, তাকে সহায়তা করেন রুমানা শারমিন। খবর বিডিনিউজের।
শুনানি শেষে আইনজীবী রুমানা বলেন, এটি চকরিয়া সুন্দরবন, কঙবাজারের চকরিয়া উপজেলায় অবস্থিত। সংরক্ষিত ও রক্ষিত–এই দুই রকমের বন নিয়েই আমাদের মামলাটি ছিল। এখানকার মোট আয়তন ২১,২৪৫ একর। ওই জমিতে ‘অবৈধভাবে’ বেশ কিছু লিজ দেওয়া হয়েছিল অভিযোগ করে এ আইনজীবী বলেন, এটি অবৈধ এই কারণে যে, এলাকাটি রিজার্ভ ফরেস্ট (সংরক্ষিত বন) হিসেবে ঘোষিত থাকা সত্ত্বেও তা অবমুক্ত না করেই লিজ দেওয়া হচ্ছিল। লিজ দেওয়ার অনেক বছর পর এটিকে ডি–রিজার্ভ (অবমুক্ত) করা হয়। সংরক্ষিত বন অবমুক্ত করার আগে কীভাবে লিজ দেওয়া হয়, আমরা মূলত আদালতের কাছে এটাই চ্যালেঞ্জ করেছি। এই কারণেই লিজগুলো অবৈধ এবং এর ওপর ভিত্তি করেই আদালত রুল জারি করেছেন।












