গুলশানে জাবেদের ফ্ল্যাটে শত শত কোট-টাই, রোলেক্সের চারটি বক্স

| সোমবার , ২০ জুলাই, ২০২৬ at ৬:৫৬ পূর্বাহ্ণ

ঢাকার গুলশানে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের দুই ফ্ল্যাট ক্রোকের অংশ হিসেবে মালামালের তালিকা তৈরির যে কাজ চলছে, তাতে শত শত কোট ও টাইয়ের তথ্য নথিবদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া অভিজাত ঘড়ি ব্র্যান্ড রোলেক্সের চারটি বক্সসহ বিপুল পরিমাণ ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদালতের অনুমতি নিয়ে রোববার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দুদকের একটি দল ফ্ল্যাট দুটিতে প্রবেশ করে মালামালের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করে। দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ কাজ শেষ করতে আরও একদিন লাগতে পারে। প্রাথমিক হিসাবে প্রথমদিন তিন শতাধিক কোট, পাঁচশতাধিক টাই, আটটি ঘড়ির বক্স, যার মধ্যে চারটি রোলেক্স ব্র্যান্ডের, তিন সেট মুক্তার (পার্ল) অলঙ্কার, চারটি ঝাড়বাতি, একাধিক খাট ও সোফা এবং ১০০টির বেশি কামিজ মিলেছে। খবর বিডিনিউজের।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতের অনুমতি নিয়ে দুদকের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে একটি যৌথ দল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ফ্ল্যাট দুটিতে মালামালের ইনভেন্টরি করছে।’ ফ্ল্যাট দুটির অবস্থান গুলশানের ৬৬ নম্বর সড়কের নর্থওয়েস্ট (বি) ব্লকের ১১ নম্বর প্লটে। এর মধ্যে এ৭ নম্বর ফ্ল্যাটের আয়তন ৩ হাজার ৭৪৭ বর্গফুট; আর বি৭ নম্বর ফ্ল্যাটের আয়তন ৩ হাজার ৮৩২ বর্গফুট। দুটি ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ৭ হাজার ৫৭৯ বর্গফুট।

ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের আদেশে দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের পরিচালককে ফ্ল্যাট দুটির রিসিভারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার দায়িত্ব সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।

তবে ফ্ল্যাট দুটি তালাবদ্ধ থাকায় রিসিভার সেখানে প্রবেশ করতে পারছিলেন না। পরে দুদকের আবেদনের পর গত ২৯ এপ্রিল আদালত অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুপস্থিতিতেও বাধাহীনভাবে ফ্ল্যাটে প্রবেশ এবং ভেতরে থাকা মালামালের তালিকা করার অনুমতি দেয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমাহবুবের রহমান শামীম চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক
পরবর্তী নিবন্ধডেভিড ইমনের নির্দেশেই ডিডিএনে হামলা : র‌্যাব