ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কুদস বাহিনীর কমান্ডার বলেছেন, কোনো কিছু অর্জন করা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীকে (ইসরায়েল) মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে। পুরো অঞ্চলজুড়ে প্রতিরোধ অক্ষের সমন্বিত বাহিনীর শক্তিশালী ও কার্যকর উপস্থিতি রয়েছে, আমরা মানবতার শত্রুদের অপেক্ষায় রয়েছি। তারা কোনো অর্জন ছাড়াই এ অঞ্চল ছাড়বে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানি এসব বলেছেন বলে জানিয়েছে ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিম। খবর বিডিনিউজের।
মার্কিন নৌবাহিনী ‘হরমুজ প্রণালিতে ঢোকা বা সেখান থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করা সব নৌযানকে আটকাতে’ ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ শুরু করছে বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর আইআরজিসির কুদসপ্রধানের এ মন্তব্য এল। ট্রাম্পের পর মার্কিন বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, ইরানে যাওয়া বা দেশটি থেকে বের হওয়া নৌযানের ওপরই কেবল এই অবরোধ বলবৎ হবে।
শান্তি আলোচনার সময় ‘নেতানিয়াহুর ফোন সবকিছু বদলে দিয়েছে’: এদিকে অপর এক খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আয়োজিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের শান্তি আলোচনা ভেস্তে গিয়েছিল একটি ফোনেই। এমনটাই দাবি করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। তিনি জানিয়েছেন, আলোচনা চলাকালে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের কাছে হঠাৎ করেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ফোন আসে। এরপরই পুরো পরিস্থিতি পাল্টে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লেখেন, ‘বৈঠকের সময় ভ্যান্সের কাছে আসা নেতানিয়াহুর ফোন আলোচনার মনোযোগ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দিক থেকে সরিয়ে ইসরায়েলের স্বার্থের দিকে নিয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের মাধ্যমে যা পায়নি, তা আলোচনার টেবিলে পাওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেকারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে।’ তবে শান্তি আলোচনা চলাকালে নেতানিয়াহু ফোন করেছিলেন কি না, তা ওয়াশিংটন স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটিই করেনি। বৈঠক চলাকালীন ছয় থেকে ১২ বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে বলে ভ্যান্স নিজে জানিয়েছেন। কিন্তু নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথার বিষয়ে ভ্যান্স মুখ খোলেননি। আরাকচির ওই দাবির পরও যুক্তরাষ্ট্র নীরব রয়েছে। তাদের বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাকচির দাবি স্বীকার করা হয়নি। আবার অস্বীকারও করা হয়নি।














